বৃষ্টি নিয়ে যত ভয় বাংলাদেশের?

মনমুগ্ধকর বৃষ্টি সব সময় সৌভাগ্যের দর্পণ বয়ে আনে না। কখনও কখনও ভাসিয়ে নিয়ে যায় সাজানো সবকিছু। জাপানে পা রাখার পর থেকেই বাংলাদেশ দলের পিছু ছাড়ছে না বৃষ্টি। এখানেই প্রশ্ন আসে, এই বৃষ্টি কি সেমিফাইনালে বাংলাদেশের জন্যও কাল হয়ে দাঁড়াবে?

মনমুগ্ধকর বৃষ্টি সব সময় সৌভাগ্যের দর্পণ বয়ে আনে না। কখনও কখনও ভাসিয়ে নিয়ে যায় সাজানো সবকিছু। জাপানে পা রাখার পর থেকেই বাংলাদেশ দলের পিছু ছাড়ছে না বৃষ্টি। এখানেই প্রশ্ন আসে, এই বৃষ্টি কি সেমিফাইনালে বাংলাদেশের জন্যও কাল হয়ে দাঁড়াবে?

চারটা কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। বড় দলের কপাল খুলছে, বিপাকে পড়ছে র‍্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা ছোট দলগুলো। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল, তবে মাঠের লড়াই ছাড়াই সেমিফাইনালে পা রেখেছে লিটন দাসের দল।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে লড়তে হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে। পূর্ণ শক্তির বাংলাদেশ দল জয়ের আশা করতেই পারে। তবে যদি বৃষ্টি হয় তবে কি হবে? এখানে সহজ সমাধান, বাংলাদেশকে ধরতে হবে বাড়ির পথ।

এশিয়ান গেমসের নিয়ম অনুযায়ী নকআউটের কোনো ম্যাচ যদি পরিত্যক্ত হয়, সেক্ষেত্রে র‍্যাঙ্কিংয়ে যে দল এগিয়ে, সেই দলই চলে যাবে পরের রাউন্ডে। এক্ষেত্রে টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আট। দুই ধাপ এগিয়ে পাকিস্তানের ছয়। যদি বৃষ্টি হয় তবে বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত।

সেমিফাইনালের অপেক্ষায় জয়ের আশা যে ভালোই আছে, সেটা বাংলাদেশ এর অধিনায়ক লিটন দাস, কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন কেউ লুকাচ্ছেন না, আর সেটা হওয়াটাই স্বাভাবিক। নারী ক্রিকেট দল খালি হাতে ফিরেছেন দেশে, আর এর ফলে এখন ছেলেদের দিকে পাখির চোখে দেখা পুরো দেশ। পাকিস্তানকে অবশ্য হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।

রহস্যময় হয়ে উঠেছে এশিয়ান গেমসের ক্রিকেট। চার কোয়ার্টার ফাইনালের মধ্যে একটিতেও একটা বল পর্যন্ত হয়নি। বড় দলের জন্য বৃষ্টি হয়ে উঠেছে সৌভাগ্যের আয়না। সেই একই বিষয় বাংলাদেশের জন্য দুর্ভাগ্য হয়ে উঠবে কি? তবে আশার খবর, ১ তারিখ থেকে জাপানের আকাশ থেকে মেঘ সরে যাবে। মাঠের লড়াইটা তাই আশার আলো দেখছেন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link