চার ওভারে একুশ রান দিয়ে চার উইকেট। সংখ্যাটা দেখতে সাধারণ মনে হলেও এর পেছনের গল্পটা মোটেও সাধারণ নয়।
আফগানিস্তানের ইনিংস তখন মাঝপথে।,ফয়সাল শিনোজাদা আর নাজিবুল্লাহ জাদরান জুটি বেঁধে রান তুলছেন। স্কোরবোর্ড এগোচ্ছে ধীরে ধীরে, চাপও কমছে আফগানদের ওপর থেকে। ঠিক তখনই বল হাতে নিলেন কুশল ভুর্টেল । যেন অপেক্ষাই করছিলেন এই মুহূর্তের জন্য।
প্রথম শিকার শিনোজাদা, টসড ডেলিভারিতে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিলেন মিড অফে। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার স্টাইলে উদযাপন করলেন কুশল, যেন বুঝিয়ে দিলেন আজ তাঁর দিন।
এরপরের গল্পটা আরও নিষ্ঠুর, মোহাম্মদ ইসহাক আর দারুইশ রাসুলি, পরপর দুই বলে দুটি এলবিডব্লিউ। হ্যাটট্রিকের সুযোগও তৈরি হয়ে গিয়েছিল প্রায়, আফগানিস্তান ততক্ষণে অর্ধেক দল হারিয়ে দিশেহারা।
একা লড়ছিলেন শুধু নাজিবুল্লাহ জাদরান। চল্লিশ বলে তিরিশ রানের একটা ইনিংস, যা দলকে কিছুটা ভরসা দিচ্ছিল। কিন্তু কুশলের স্পেল শেষ হওয়ার আগে সেই ভরসাটুকুও কেড়ে নিলেন তিনি। লং অনে ক্যাচ তুলে ফিরলেন জাদরান।
চার ওভার শেষে কুশলের বোলিং ফিগার দাঁড়াল একুশ রানে চার উইকেট। আফগানিস্তান থামল মাত্র একশ দুই রানে।
ব্যাট হাতে যে ছেলেটা একদিন যুবরাজ সিংয়ের পাশে নাম লিখিয়েছিলেন, বল হাতেও যে তিনি এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারেন, সেটা আজ আবার প্রমাণ করলেন কুশল ভুর্টেল। প্রতিপক্ষ যখনই হাত খোলার চেষ্টা করেছে, তখনই যেন অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।













