বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কা

ঐ সময় জিম্বাবুয়ে সফর নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। দু’টি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তবে, ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক আকরাম খান জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ে সফর এখনো চূড়ান্ত নয়।

করোনা ভাইরাসের প্রকোপের ভিতরই গত বছারর অক্টোবরে শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার কথা ছিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে। কিন্তু কোয়ারেন্টাইন ইস্যুতে স্থগিত হয়ে যায় শ্রীলঙ্কা সিরিজ। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরে বাংলাদেশ।

কিছু দিন আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন জানিয়েছিলেন চলতি বছরের এপ্রিলে স্থগিত হওয়া সিরিজটি আয়োজন করতে আশাবাদী বিসিবি। সুজন আরো জানিয়েছিলেন এফটিপিতে জায়গা না থাকার কারণে শুধু দু’টি টেস্টই খেলা হবে; থাকবে না কোন ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি।

আর আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান জানিয়েছেন এপ্রিলে শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার আগে বা পরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে শ্রীলঙ্কা দল।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা দল মে মাসে বাংলাদেশে আসবে। আমরাও সেখানে যাচ্ছি। তবে এর আগেও আমরা সেখানে যেতে পারি, পরেও যেতে পারি। কিন্তু দুইটা সফরই চূড়ান্ত আছে।’

ঐ সময় জিম্বাবুয়ে সফর নিয়েও আলোচনা হচ্ছে। দু’টি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তবে, ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক আকরাম খান জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ে সফর এখনো চূড়ান্ত নয়।

তিনি বলেন, ‘জিম্বাবুয়ের বিষয়টা এখনো নিশ্চিত না, হয়তোবা আমরা কিছু দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত করব। যেহেতু এটা বাতিল হয়ে গেছিল আর আমাদের দুইটা বোর্ডেরই সময়ের একটা ব্যাপার আছে।’

চলতি ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের শুরু থেকেই করোনা ভাইরাসের কারণে জৈব সুরক্ষা বায়ো বাবলে রয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। এর আগে দুটি ঘরোয়া টুর্নামেন্টেও জৈব সুরক্ষা বলয়ে ছিলো ক্রিকেটাররা। পরবর্তী সিরিজ গুলোতেও জৈব সুরক্ষা বলয়ের ভিতরই থাকতে হবে সবাইকে। সবার ভিতর যেনো তিক্ততা না আসে তাই ক্রিকেটারদের বিশ্রাম দেওয়ারও চিন্তা করছে বোর্ড।

এ প্রসঙ্গে আকরাম খান বলেন, ‘আমরা চিন্তা ভাবনা করছি। আমাদের খেলোয়াড়দের বিশ্রামেরও একটা ব্যাপার আছে। এটা আসলে খেলোয়াড়দের জন্য বেশ কষ্টসাধ্য। এই যে জৈব সুরক্ষা বলয় এটি খেলোয়াড়দের জন্য অনেক বড় একটা চাপ, তো এটাও আমরা মাথায় রেখেছি। অতিরিক্তি খেলা, খেলোয়াড়দের বিশ্রামও গুরুত্বপূর্ণ, তো সবকিছু বিবেচনা করেই আমরা সফরটি করছি।’

আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...