২০২৭ সালে নেপালের মাটিতে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ

সবকিছু ছাপিয়ে হিমালয়ের কোলঘেঁষা নেপালের মাটিতে কবে লাল-সবুজের গর্জন শোনা যাবে, তা জানতে প্রমাদ গুনছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। ২২ গজের এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা!

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৭ সালেই নেপালের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। এরই মধ্যে নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ নিয়ে ইতিবাচকভাবে ভাবছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডই সম্ভাব্য দিনক্ষণ নির্ধারণে নিজেদের ভেতর আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির মাঝেও ২০২৭ সালের নির্ধারিত এফটিপি সাইকেলের মধ্যেই কাঙ্ক্ষিত সিরিজটি খেলার পথ খুঁজছে বাংলাদেশ। এমনটা নিশ্চিত করেছেন বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস।

এ দিকে, এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতি এবং আফগানিস্তান সিরিজের ক্যাম্প ঘিরে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রিকেটাররা। স্কিল ও কন্ডিশন উন্নয়নে জোরকদমে চলছে অনুশীলন।

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া এশিয়ান গেমসে নিজেদের মেলে ধরতে সবটা উজাড় করে খেলতে চান ক্রিকেটাররা। আর এশিয়ান গেমসের স্কোয়াডে না থাকা খেলোয়াড়রা অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে মন দিয়েছেন পুরোপুরি।

এরপরও সবকিছু ছাপিয়ে হিমালয়ের কোলঘেঁষা নেপালের মাটিতে কবে লাল-সবুজের গর্জন শোনা যাবে, তা জানতে প্রমাদ গুনছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। ২২ গজের এই লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে বলেই সবার ধারণা।

 

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link