এশিয়ান গেমসে চতুর্থ স্থানেই থামল বাংলাদেশের অভিযান!

এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ পদকটা যেন এই দুই দলের মধ্যেই ভাগাভাগি হয়ে থাকার কথা ঠিক করে রেখেছে, গতবার নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ, এবার সেই পালা পাকিস্তানের। জাপানের নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে হওয়া ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশ নারী দল হেরেছে ৩১ রানে।

এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ পদকটা যেন এই দুই দলের মধ্যেই ভাগাভাগি হয়ে থাকার কথা ঠিক করে রেখেছে, গতবার নিজেদের করে নিয়েছিল বাংলাদেশ, এবার সেই পালা পাকিস্তানের। জাপানের নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে হওয়া ব্রোঞ্জ পদকের লড়াইয়ে বাংলাদেশ নারী দল হেরেছে ৩১ রানে।

আগে ব্যাটিং করা পাকিস্তান ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তোলে ১৪৫ রান, জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ১১৪ রানে। দুই দলই এর আগেই আসর থেকে ছিটকে গিয়েছিল, তাই ম্যাচটা ছিল শুধু তৃতীয়-চতুর্থ স্থান নির্ধারণের।

পাকিস্তানের ইনিংসের শুরুটা ভালো যায়নি বাংলাদেশের বোলারদের সামনে। পাওয়ারপ্লের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ৪৬ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এখান থেকে দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক ফাতিমা সানা, ৩০ বলে করেন ৪৫ রান, ইনিংসে ছিল তিনটি চার আর তিনটি ছক্কা। তার সঙ্গী আলিয়া রিয়াজ করেন ২২ বলে ২৫ রান। দুজনের ৬৭ রানের জুটিতেই লড়াইয়ের মতো পুঁজি পায় পাকিস্তান।

জবাব দিতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি চেষ্টা করেছিলেন ম্যাচে ফেরার, কিন্তু বাউন্ডারির দেখা মিলছিল না বললেই চলে, রানের চেয়ে ডট বলই হচ্ছিল বেশি। জ্যোতি আউট হন ৩০ বলে ২৫ রান করে।

এরপর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন শারমিন আক্তার। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৪৫ বলে ৪৬ রান করে, তবে যোগ্য সঙ্গীর অভাবেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায় বাংলাদেশের। ৩১ রানের হারে চতুর্থ হয়েই আসর শেষ করতে হলো বাংলাদেশকে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link