আন্তর্জাতিক ফুটবলের দীর্ঘ বিরতি শেষে মাঠে ফিরছে ক্লাব প্রতিযোগিতা। তিন সপ্তাহের লম্বা এই উইন্ডোতে ক্লান্তির শঙ্কা ছাপিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে আলো ছড়িয়েছেন বিশ্ব ফুটবলের একঝাঁক মহাতারকা। চোখধাঁধানো নৈপুণ্য ও পরিসংখ্যানের জোরে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিরতিতে সবচেয়ে বেশি নজর কাড়া পাঁচ তারকাকে নিয়েই থাকছে খেলা ৭১ এর আজকের আয়োজন।
- লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)

বার্সেলোনার হয়ে কাটানো দুর্দান্ত সময়টা জাতীয় দলের জার্সিতেও ধরে রেখেছেন ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। থ্রি লায়ন্সদের বিপক্ষে গোল করার পর ক্রোয়েশিয়াকে ৪-১ ব্যবধানে ধ্বংস করার ম্যাচে জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে মাঠ মাতিয়েছেন ইয়ামাল। এরপর চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষেও ডি-বক্সের বাইরে থেকে নিজের ট্রেডমার্ক কার্লিং শটে দৃষ্টিনন্দন গোল তুলে নেন এই ফুটবল বিস্ময়।
- অ্যান্থনি গর্ডন (ইংল্যান্ড)

লা লিগায় বার্সেলোনার জার্সিতে চার অ্যাসিস্টের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইংল্যান্ড দলে যোগ দেওয়া গর্ডন ছিলেন ম্যানেজার থমাস টুখেলের আক্রমণাত্মক কৌশলের অন্যতম নিউক্লিয়াস। স্পেনের বিপক্ষে লক্ষ্যভেদের পর চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন তিনি। পরবর্তীতে ক্রোয়েশিয়াকে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচেও এক গোল ও এক অ্যাসিস্টে স্বাগতিকদের জয়ের পথ সুগম করেন এই উইঙ্গার।
- হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড)

ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বাধিক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার মাইলফলকে পিটার শিলটনকে স্পর্শ করেছেন কেন। পুরো উইন্ডোজের চার ম্যাচেই একাদশে থেকে ছয়টি গোল করেন ৩৩ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার, যা তাঁর জাতীয় দলের গোলসংখ্যাকে ৯০ এর ঘর পার করিয়েছে। গত মৌসুমেও অপ্রতিরোধ্য পারফরম্যান্সের ফলে ব্যালন ডি’অরের দৌড়েও সবচেয়ে এগিয়ে এই বায়ার্ন তারকা।
- মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)

বায়ার্ন মিউনিখের উড়ন্ত ফর্ম জিদানের ফরাসি শিবিরেও বজায় রেখেছেন ওলিসে। ইতালির বিপক্ষে চোখধাঁধানো ফ্রি-কিক ও বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সোলো রানে গোল করার পর, দ্বিতীয় অর্ধে বদলি হিসেবে নেমে জোড়া গোল ও এক অ্যাসিস্টে ফরাসিদের ৪-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন। এক পঞ্জিকাবর্ষে ফ্রান্সের হয়ে সর্বোচ্চ দশটি অ্যাসিস্টের নতুন রেকর্ডও গড়েছেন এই রাইট উইঙ্গার।
- ফ্লোরিয়ান উইর্টজ (জার্মানি)

লিভারপুলের জার্সির অস্বস্তি কাটিয়ে দেশের হয়ে চেনা ছন্দে দেখা গেছে উইর্টজকে। সার্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানের জয়ে চতুর ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদের পাশাপাশি ৯৫ শতাংশ নিখুঁত পাসে পুরো দলের মাঝমাঠের লাগাম নিজের হাতে রাখেন ২৩ বছর বয়সী এই জার্মান প্লে-মেকার।











