আবারও ফিরছে বোলার হান্ট!

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতিভা অন্বেষণের সবচেয়ে পরিচিত নাম বোলার হান্ট, আবারও ফিরছে প্রায় এক দশক পর। বিসিবি ও রবি আজিয়াটার যৌথ আয়োজনে এবার আলাদা করে পেসার কিংবা স্পিনার খোঁজা হবে না, একই মঞ্চে থাকবে দুই বিভাগই। সঙ্গে থাকছে আরেকটি বড় পরিবর্তন, প্রথমবারের মতো পুরুষদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররাও অংশ নিতে পারবেন এই কর্মসূচিতে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতিভা অন্বেষণের সবচেয়ে পরিচিত নাম বোলার হান্ট, আবারও ফিরছে প্রায় এক দশক পর। বিসিবি ও রবি আজিয়াটার যৌথ আয়োজনে এবার আলাদা করে পেসার কিংবা স্পিনার খোঁজা হবে না, একই মঞ্চে থাকবে দুই বিভাগই। সঙ্গে থাকছে আরেকটি বড় পরিবর্তন, প্রথমবারের মতো পুরুষদের পাশাপাশি নারী ক্রিকেটাররাও অংশ নিতে পারবেন এই কর্মসূচিতে।

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের আটটি ভেন্যুতে শুরু হবে বাছাই পর্ব, এর মধ্যে দুটি থাকবে ঢাকায়। প্রতিটি ভেন্যুতে থাকবে বিসিবির কোচ, নির্বাচক আর সাবেক ক্রিকেটারদের সমন্বয়ে গঠিত কারিগরি প্যানেল। গতি মাপার যন্ত্র আর প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেবে বোর্ড। নারী ক্রিকেটারদের বাছাইয়ের সময় মাঠে থাকবেন নির্বাচকেরাও, সঙ্গে জাতীয় দলের বিভিন্ন বিভাগের কোচরা।

বিসিবির এমন আয়োজন থেকে আগেও উঠে এসেছেন দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ক্রিকেটাররা। ২০০৫ ও ২০০৭ সালে গ্রামীণফোনের সহযোগিতায় হওয়া পেসার হান্ট থেকে জাতীয় দলে জায়গা পান রুবেল হোসেন ও শফিউল ইসলাম।

রুবেল দীর্ঘদিন বাংলাদেশের পেস আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন, খেলেছেন একাধিক বিশ্বকাপেও। এরপর ২০১৬ সালে রবির পৃষ্ঠপোষকতায় হওয়া পেসার হান্টে ঘণ্টায় ১৩৯.৯ কিলোমিটার গতিতে বল করে সেরা হন এবাদত হোসেন, পরবর্তীতে যিনি টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম ভরসার নাম হয়ে ওঠেন।

একই বছর হাই পারফরম্যান্স ক্যাম্পে ডাক পেয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, নাজমুল হোসেন শান্তর মতো ক্রিকেটাররাও, যারা এখন জাতীয় দলের সবচেয়ে  নীর্ভরযোগ্য মুখ। ২০১৭ সালেও হয়েছিল আলাদা স্পিন হান্ট।

এত বছর পর ফেরা এই কর্মসূচি নিয়ে তাই প্রত্যাশাও বাড়ছে। রুবেল কিংবা এবাদত একদিনের ট্রায়াল থেকেই তারকা হয়ে ওঠেননি, লম্বা সময় ধরে গড়ে তোলা হয়েছিল তাদের। নির্বাচিতদের জন্যও তাই থাকছে নিয়মিত প্রশিক্ষণ আর দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার পরিকল্পনা। বোলার হান্ট যদি আবারও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারে, তাহলে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণে নাহিদ রানা, হাসান মাহমুদ দের মতো বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো বোলার আসবে আরো, শক্ত আর মজবুত হবে পাইপলাইন।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link