গিলের রাজকীয়তার কাছে ব্যর্থ গ্রিনের জ্বলে ওঠা!

নিজের বিশাল মূল্যের সাথে আশানুরূপ ফলাফল করতে না পারার কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছিলেন ক্যামেরুন গ্রিন। গুজরাট টাইটান্সের সাথে তাঁর ব্যাট হাসলেও হাসতে পারলো না কলকাতার দর্শকেরা। শুভমান গিলের চওড়া ব্যাট জয়ের গল্প লিখল গুজরাটের জন্য।  

নিজের বিশাল মূল্যের সাথে আশানুরূপ ফলাফল করতে না পারার কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হচ্ছিলেন ক্যামেরুন গ্রিন। গুজরাট টাইটান্সের সাথে তাঁর ব্যাট হাসলেও হাসতে পারলো না কলকাতার দর্শকেরা। শুভমান গিলের চওড়া ব্যাট জয়ের গল্প লিখল গুজরাটের জন্য।

টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত যে ভালো হয়নি তা কেকেআর অনুভব করে প্রথম ওভারে। রানের খাতা না খুলেই ফেরেন অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানে। বড় ইনিংস আসেনি টিম সেইফার্ট কিংবা অংকৃশ রঘুবংশীর ব্যাট থেকেও।

আগের পাঁচ ম্যাচে স্মরণীয় কিছু করতে না পারলেও এদিন জ্বলে উঠেন গ্রিন। অন্যপ্রান্তে যখন প্যাভিলিয়নে ফেরার হিড়িকে পড়েছে, তখন একপ্রান্ত  আগলে রাখেন অজি অলরাউন্ডার। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে করেন ৫৫ বলে ৭৯ রান। কেকেআর থামে ১৮০ রানে।

গুজরাটের জন্য ১৮১ রানের লক্ষ্যটা শুরুতে অনেকটা সহজ হয়ে যায় ওপেনিং জুটি পঞ্চাশ পার করলে। সাই সুদর্শন আর জস বাটলার ইনিংস বড় করতে না পারার গ্লানি নিয়ে সাজঘরে ফিরলেও দলনেতা শুভমন গিল চাপে পড়তে দেননি।

পেসার হোক কিংবা স্পিনার, সবার বিরুদ্ধেই একইভাবে ব্যাট চালিয়েছেন গিল। চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছড়িয়েছেন, গুজরাট নেতা আউট হওয়ার আগে খেলেন  ৫০ বলে ৮৬ রানের অনবদ্য ইনিংস। ম্যাচ শেষ ওভারে গেলেও গুজরাট জেতে বড় কোনো বিপদের মোকাবিলা না করেই।

মনোমুগ্ধকর ইনিংস খেলে চিন্তার ভারটা কিছুটা কমিয়েছিলেন গ্রিন। কিন্তু, তাঁর সামনে গিল রাজকীয় মেজাজে হাজির হবেন সে কথা কেইবা জানতো। গুজরাটের পাঁচ উইকেটের জয় তাই তো দীর্ঘতর করলো কলকাতার একটা জয়ের অপেক্ষা।

 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link