ভুল উইকেট বানিয়েই ভুল করল বাংলাদেশ!

ঘরের মাঠে প্রত্যাশা ছিল জয়ের, কিন্তু বাস্তবতা দাঁড়াল ভিন্ন। দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে  সঠিক পরিকল্পনার অভাব বাংলাদেশকে পরাজয়ের স্বাদ ভোগ করালো।   ২৬ রানের পরাজয়  সামনে আনলো,  একগুচ্ছ ভুল সিদ্ধান্ত, ভুল উইকেট নির্বাচন  আর ব্যাটিং অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি।

ঘরের মাঠে প্রত্যাশা ছিল জয়ের, কিন্তু বাস্তবতা দাঁড়াল ভিন্ন। দ্বিতীয় সারির নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে  সঠিক পরিকল্পনার অভাব বাংলাদেশকে পরাজয়ের স্বাদ ভোগ করালো।   ২৬ রানের পরাজয়  সামনে আনলো,  একগুচ্ছ ভুল সিদ্ধান্ত, ভুল উইকেট নির্বাচন  আর ব্যাটিং অস্থিরতার প্রতিচ্ছবি।

একটা সিরিজ আগে ফিরে যাওয়া যাক। পাকিস্তানের বিপক্ষে স্পোর্টিং উইকেট বানিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখানে গতির ঝড় তুলেছিলেন নাহিদ রানা, তানজিদ তামিমের ব্যাটে এসেছিল ফিফটি, সেঞ্চুরি। বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জ নিয়েই ম্যাচ জিতেছিল।

তবে নিউজিল্যান্ড আসতেই যেন আবারও পিছু হটল বাংলাদেশ। স্লো উইকেট বানিয়ে নিজেরাই বিপদ ডেকে আনলো। ফর্মে থাকা তামিম ব্যাট হাতে ব্যর্থ হলেন। লিটন-সাইফ ফিরে যাওয়ার পরই ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডার।

মূলত স্লো উইকেটে আফিফ-মিরাজরা বেশ পটু। তবে মোটাদাগে তারাই ব্যর্থ হয়েছেন। আফিফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪৯ বলে ২৭ রান। আর মিরাজের ১৪ বলে মাত্র ছয়। মাঝের ওভারে স্ট্রাইক রোটেশন, বাউন্ডারি বের করা এবং ইনিংস গড়ার যে পরিকল্পনা দরকার ছিল, তার কোনো ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি। এরপর যা হওয়ার সেটাই হয়েছে।

বল হাতেও পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল বাংলাদেশের। স্লো উইকেটে তিন পেসারের দিকেই হাত বাড়িয়েছে, অথচ একজন স্পিনারের অভাব বোধ করেছে বাংলাদেশ। এখানেও মিরাজের দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই। সেখানে ক্যাপ্টেন ডাহা ফেল করে বসে আছেন। ১০ ওভারে খরচা করেছেন ৫৪ রান, বিপরীতে তুলেছেন এক উইকেট।

শেষদিকে হৃদয়ের ৫৫ রানের একাকী লড়াই শুধু ব্যবধান কমিয়েছে। লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে বাংলাদেশ থেমে যায় ২২১ রানে।

এই ম্যাচ আবারও দেখিয়ে দিল, জিততে হলে দরকার সঠিক পরিকল্পনা, ম্যাচ রিডিং আর চাপ সামলানোর মানসিকতা। নইলে প্রতিপক্ষ যতই নতুন বা অনভিজ্ঞ হোক, জয় পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link