তিনি প্রচুর গোল মিস করেন। এই বদনামটা যেন লাউতারো মার্টিনেজের ছায়াসঙ্গী। সুযোগ তৈরি হয়, কিন্তু ফিনিশিংয়ে থেমে যায় গল্পটা, এমন কথা তো গোল বলটার মতোই ঘুরপাক খায়। তবে এই বদনাম ছাপিয়ে মার্টিনেজ এখন বেশ পরিণত। হন্ডুরাসের বিপক্ষে সেই ছাপটাই রেখে গেলেন।
ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা। দায়িত্ব বুঝে এগিয়ে আসেন মার্টিনেজ, নিখুঁতভাবে জালে জড়ায় বল। সেই সাথে আর্জেন্টিনার হয়ে ৩৭তম গোলও করে ফেলেন তিনি।
কিন্তু এখানেই থামেননি তিনি। গোলের পরও খেলা ধরে রাখেন নিজের পায়ে। নিজের পরিণত হওয়ার সবচেয়ে বড় নিদর্শনের প্রকাশ ঘটান ৫৫ মিনিটে। বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাকহিল পাসে বল এগিয়ে দেন জুলিয়ানো সিমিওনের উদ্দেশ্যে। আরও একবার এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

শেষমেষ ২-০ ব্যবধানে হন্ডুরাসকে পরাজিত করে আকাশী-নীলরা। আর এই দুই গোলেরই মূল কারিগর লাউতারো। তিনি এখন শুধুই আর ফিনিশার নন, ক্রিয়েটরও।
একটা পরিসংখ্যানেই পরিষ্কার হয়ে যাবে সবটা। আর্জেন্টিনার হয়ে ৭৬ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। গোলের সংখ্যাটা ৩৭, আর অ্যাসিস্ট ১১টি। অভিযোগের পাতা ছিঁড়ে ফেলে এখন তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আক্রমণভাগের অগ্রণী সেনানী।
লাউতারো মার্টিনেজ আগের সেই মার্টিনেজ নেই। খোলসটা বদলে ফেলেছেন। তিনি এখন ম্যাচ জেতানো এক শক্তিশালী অস্ত্র।

Share via:










