ক্যাচ নয়, যেন ম্যাচটাই মিস করল বাংলাদেশ!

স্বর্ণা আক্তারের হাত ফসকে যাওয়া ওই একটা ক্যাচই নির্ধারণ করে দিল ম্যাচের ফলাফল। ওমন বাজে ফিল্ডিং পুরো ম্যাচ জুড়েই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। যার ফলস্বরূপ ক্যাচের মতোই জেতা ম্যাচটাও ফসকে গেল।

স্বর্ণা আক্তারের হাত ফসকে যাওয়া ওই একটা ক্যাচই নির্ধারণ করে দিল ম্যাচের ফলাফল। ওমন বাজে ফিল্ডিং পুরো ম্যাচ জুড়েই ভুগিয়েছে বাংলাদেশকে। যার ফলস্বরূপ ক্যাচের মতোই জেতা ম্যাচটাও ফসকে গেল। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারতে হলো তিন উইকেটের ব্যবধানে।

টসে জিতে বাংলাদেশ একটা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল, আফ্রিকার মতো দলকে হারাতে হলে স্কোরবোর্ডে বড় রান দরকার। সূচনাটা অবশ্য মন্দ হয়নি। ৫৩ রানের ওপেনিং জুটি একটা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিল। আর যার পূর্ণতা এনে দিলেন জ্যোতি-শারমিনরা। তাদের ব্যাটে ভর করে মোটামুটি লড়াকু এক সংগ্রহের পথেই এগোচ্ছিল বাংলাদেশ।

জ্যোতি ৩২ আর শারমিন ৫০ রানে থামলেও পরের দায়িত্ব বুঝে নেন স্বর্ণা আক্তার আর রিতু মনিরা। শেষদিকে আফ্রিকার বোলারদের চোখরাঙানি উপেক্ষা করে ব্যাটে ঝড় তোলেন। স্বর্ণা ৩৫ বলে ৫১ আর রিতুর আট বলে ১৯ রানে ভর করে বাংলাদেশ তোলে ২৩২ রান।

আফ্রিকার জন্য এই রান তাড়া করা খুব কঠিন না। তা আভাস পাওয়া যাচ্ছিল শুরু থেকেই। তিন রানের মাথায় নাহিদার শিকার হয়ে তাজমিন ব্রিটস ফিরলেও রানের চাকা ঠিকই সচল রাখে তারা। পরের উইকেট তুলতে বাংলাদেশের অপেক্ষা করতে বেশ খানিকটা সময়। ৫৮ রানে অপেক্ষার অবসান হলে একটা আশা জেগে ওঠে বাংলাদেশের ডেরায়।

সেই আশাটা আরও জোরালো হয় ৫৮ থেকে ৭৮, এই ২০ রানের মধ্যে চার উইকেট তুলে নিলে। অর্থাৎ ৭৮ রানে পাঁচ উইকেট তুলে ম্যাচের লাগাম নিয়ে নেয় বাংলার মেয়েরা। ওখান থেকেও যে ম্যাচ হাতছাড়া হয় সেটা কে বা জানতো! তবে চাপ সামলাতে না পারার দরুণ সেটাই হলো।

আট বল থেকে তখনও আফ্রিকার দরকার নয় রান। লং অফ ডি ক্লার্ক ক্যাচ তুলে দেন, স্বর্ণার সামনে সহজ একটা সুযোগ আসে তবে পারেননি সেটা নিতে। শেষটাতে যার খেসারত দিতে হয় আফ্রিকাকে জয় উপহার দিয়ে। তিন বল আর তিন উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ বাগিয়ে নিল আফ্রিকা নারী দল।

মঞ্চটা বাংলাদেশের জন্য কঠিনই ছিল। আগের দুই ম্যাচ হেরে সেটা  আরও কঠিন হলো। আফ্রিকার মতো বড় দলের বিপক্ষে তাই সমীকরণ ছাপিয়ে মূল বিষয় ছিল একটা জয়। সেটাও যে হাতছানি দিয়ে মিলিয়ে গেল সামান্য কিছু ভুলে।

Share via
Copy link