মেক্সিকোর ১১ জন খেলেছে, আর দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে খেলেছেন একজন। তিনি গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামস। মানুষ নয়, বনে গিয়েছিলেন আফ্রিকার ঢাল। তিনি না থাকলে গোল হজমের সংখ্যাটা দুইয়ের জায়গায় চারও হতে পারত।
মেক্সিকোর নজরকাড়া গতি আর রক্ষণভেদ করা আক্রমণ দেখে বোধহয় কিছুটা থমকে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। র্যাঙ্কিংয়ে ব্যবধান বিশাল, তবে লড়াই তো করতে হবে, সেটাই যেন ভুলে গিয়েছিল আফ্রিকার বাকি ১০ জন।
তবে দাঁতে দাঁত চেপে, চোয়াল আর শিরদাঁড়া শক্ত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন উইলিয়ামস। দলের নেতা বলে কথা, ডাক শুনে কেউ না এলেও দলটাকে আগলে রাখার দায়িত্ব যে তাঁরই।

সেটাই করেছেন সুনিপুণভাবে। প্রতিপক্ষের ধেয়ে আসা একেকটা আক্রমণকে রুখে দিয়েছেন, দক্ষ প্রহরীর মতো পাহারা দিয়েছেন গোলবার। তবে চাঁদেরও তো কলঙ্ক থাকে। তাই তো নিষ্কলঙ্ক ছিলেন না উইলিয়ামসও। দুটি গোল হজম করতে হয়েছে। তবে তাঁর আর কিইবা করার ছিল।
মেক্সিকো ছেলেখেলা করেছে আফ্রিকার রক্ষণভাগ নিয়ে। যেন চাইলেই ঢুকে পড়া যায়, দুর্গ জয় করা যায়। কখনও কখনও সেই পথ রক্ষণ আগলে রাখার দায়িত্বে থাকা ডিফেন্ডারই দেখিয়ে দিয়েছে।
তবে নিজের সবটা দিয়েই আফ্রিকাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন উইলিয়ামস। দুটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দিয়েছেন। পরাজিত নিলেও তাই মাথাটা তাঁর উঁচুই থাকবে।











