টি-টোয়েন্টির সেরা পাঁচ বাংলাদেশি বোলার!

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশকে সবচেয়ে স্বস্তিতে রাখে বোলাররাই। ম্যাচ জয়ের পেছনে তাই তো বড় ভূমিকাটা তাদেরই। চলুন দেখে নেওয়া যাক ২০২৫ সালজুড়ে এই ফরম্যাটে সেরা পাঁচ বোলারের নাম, যারা তুলেছেন সবচেয়ে বেশি উইকেট।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বাংলাদেশকে সবচেয়ে স্বস্তিতে রাখে বোলাররাই। ম্যাচ জয়ের পেছনে তাই তো বড় ভূমিকাটা তাদেরই। চলুন দেখে নেওয়া যাক ২০২৫ সালজুড়ে এই ফরম্যাটে সেরা পাঁচ বোলারের নাম, যারা তুলেছেন সবচেয়ে বেশি উইকেট।

রিশাদ হোসেন

প্রথমেই আসবে রিশাদ হোসেনের নাম। ২০২৫-এর বছরটা এককথায় স্বপ্নের মতোই কাটিয়েছেন তিনি। নিজেকে ভেঙে-গড়ে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। ফলাফলস্বরূপ সর্বাধিক উইকেটশিকারি তিনিই। ২৫ ম্যাচে নামের পাশে আছে ৩৩ উইকেট। ইকোনমি রেট ৮.৪৫ হলেও তাঁর কাজটা ছিল ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া। সেখানে ফুল মার্কসই তুলেছেন তিনি।

মুস্তাফিজুর রহমান

দেশসেরা বোলার মুস্তাফিজ সেরার তালিকায় থাকবেন এটাই স্বাভাবিক। বছরজুড়ে অভিজ্ঞতা আর পারদর্শিতার মিশেলে প্রতিপক্ষ শিবিরে ভয় ধরিয়ে গেছেন। ২০ ম্যাচ খেলে তুলেছেন ২৬ উইকেট। ফিজের কাছে প্রত্যাশাটা একটু বেশি থাকায় সংখ্যাটা কিছুটা বেমানান মনে হতে পারে তবে কিপ্টে বোলিংয়ে সবটাই পুষিয়ে দিয়েছেন তিনি। পুরো বছরে তাঁর ইকোনমি রেট ৬.০৯।

তাসকিন আহমেদ

তাসকিন আহমেদ সারা বছরে বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন বটে তবে খেলেছেন কম সংখ্যক ম্যাচ। মাত্র ১৩ ম্যাচ খেলে উইকেট তুলেছেন ২৪টি। তবে ৯ ইকোনমিতে ছিলেন যথেষ্ট খরুচে। তবে নতুন বলে উইকেট তোলা কিংবা প্রতিপক্ষকে মুহূর্তেই গুড়িয়ে দেওয়া, সবকিছুতেই তিনি ছিলেন সর্বেসর্বা।

তানজিম হাসান সাকিব

মুস্তাফিজ-তাসকিনদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েই ছুটেছেন তানজিম সাকিব। গতি আর আগ্রাসন দিয়ে ২২ ম্যাচে উইকেট সংখ্যাটা ২৩। ইকোনমি রেটও আটের উপরে। আরও ভালো করার জায়গা অবশ্য তাঁর ছিল। তবে সব মিলিয়ে খুব একটা খারাপ কাটেনি তাঁর বছরটা।

শেখ মেহেদি হাসান

স্পিন ডিপার্টমেন্টে যার উপরে চোখ বেঁধে ভরসা রাখা যায় তিনি শেখ মেহেদি। পাওয়ার প্লেতে বল করা, মিড ওভারে রান আটকানো কিংবা উইকেট এনে দেওয়া, সবখানেই দেখিয়েছেন নিজের পারদর্শিতা। ১৬ ম্যাচ খেলে উইকেট তুলেছেন ২২টি, ইকোনমি রেট সাতের কিছুটা উপরে। তবে ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনায় পারফর্ম করে যাওয়াটাই তাঁকে আলাদা করেছে সবার থেকে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link