প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন বরুণ চক্রবর্তী!

এই স্পিনারের জীবনে এখন চলছে বসন্ত, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক প্রত্যাবর্তনের পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে জায়গা পেয়েছিলেন একরকম সৌভাগ্যবশত। কুড়িয়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বনে গিয়েছেন শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক। কিন্তু ২০২১ বিশ্বকাপে ঘটেছিল উল্টোটা, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মলিন ছিলেন; তাঁর দলও পারেনি সেমিতে উঠতে। 

খারাপ খেললে সমালোচনা হতেই পারে, সমালোচনা হওয়াই বরং স্বাভাবিক। কিন্তু খারাপ খেলার কারণে কেউ যদি জীবন নিয়ে শঙ্কায় পড়ে যান? ভয়াল সেই অভিজ্ঞতাই হয়েছে বরুণ চক্রবর্তীর, ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর মৃত্যুর হুমকি পর্যন্ত পেয়েছিলেন তিনি।

এই স্পিনারের জীবনে এখন চলছে বসন্ত, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক প্রত্যাবর্তনের পর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলে জায়গা পেয়েছিলেন একরকম সৌভাগ্যবশত। কুড়িয়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি বনে গিয়েছেন শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়ক। কিন্তু ২০২১ বিশ্বকাপে ঘটেছিল উল্টোটা, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মলিন ছিলেন; তাঁর দলও পারেনি সেমিতে উঠতে।

তখনকার সময় নিয়ে এই ডানহাতি বলেন, ‘বিশ্বকাপের পর, আমাকে হুমকি দিয়ে ফোন করা হতো – ভারতে এসো না, চেষ্টা করলেও আসতে পারবে না এসব বলতো। লোকেরা আমার বাড়িতে এসে আমাকে খুঁজতো। এমনকি যখন আমি বিমানবন্দর থেকে ফিরছিলাম, তখন কয়েকজন লোক তাদের বাইকে করে আমার পিছু পিছু আসছিল।’

বর্তমানের সঙ্গে দুঃসময়ের তুলনা করে বরুণ বলেন, ‘আমি এখন যেমন প্রশংসা পাচ্ছি, এরপর পুরনো কথা ভাবলে অবাক লাগে। আমি বিশ্বাস করতে পারি না এত এত ভাল ব্যাপারগুলো একইসাথে ঘটছে। এখানে থেমে থাকতে চাই না, আমার ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে, তো সমালোচনা কেমন লাগে সেটা আমি জানি।’

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হুট করে ডাক পাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘মুম্বাইতে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলার পর আমি চেন্নাইয়ের টিকিটও কেটেছিলাম। কিন্তু পরদিন সকালে আমাকে জানানো হয় আমি ওয়ানডে দলে ডাক পেয়েছি, নাগপুর যেতে হবে। আমি নাগপুর যাওয়ার সময় জামাকাপড়ও নিতে পারিনি।’

অন্যদিকে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে এই তারকা বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আত্মবিশ্বাস কাজে দিয়েছে। যখনি কোন ম্যাচে ভাল করেছিলাম, আমার মনে হচ্ছিলো এটা আমি এখানকার কেউ, এটা আমার জায়গা। তবে এত সাফল্য পাব ভাবিনি।’

Share via
Copy link