মায়ামিতে আর্জেন্টিনার একাদশে থাকছেন যাঁরা

শুক্রবার ভোরে মায়ামি স্টেডিয়ামে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা নামছে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই। আগের ম্যাচে বিশ্রামে থাকা মেসি ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দুজনই ফিরছেন শুরুর একাদশে।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছেন আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড লিওনেল মেসি। টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করা এই মহাতারকা এবার অষ্টম ম্যাচেও নামছেন সেই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে। আর তার সামনে দাঁড়িয়ে টুর্নামেন্টে নবাগত কেপ ভার্দে, যাদের জন্য এটি ইতিহাস গড়ার অন্তিম সুযোগ।

শুক্রবার ভোরে মায়ামি স্টেডিয়ামে শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা নামছে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই। আগের ম্যাচে বিশ্রামে থাকা মেসি ও অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার দুজনই ফিরছেন শুরুর একাদশে। মাঝমাঠে ফের দেখা যেতে পারে রদ্রিগো ডি পলকে, যার অফুরন্ত দৌঁড় আর লড়াকু মানসিকতা স্কালোনির দলের ভারসাম্যের অন্যতম ভিত্তি।

তবে আর্জেন্টিনার প্রত্যাশা শুধু মেসির দিকেই সীমাবদ্ধ নয়। সামনে লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ এবং মাঝমাঠ থেকে উঠে আসা এনজো ফার্নান্দেজের কাছ থেকেই গোল ও আক্রমণে বড় অবদান চাইছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

রক্ষণভাগেও এসেছে বড় স্বস্তির খবর। আগের ম্যাচে হাঁটুর চোট নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলেও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোকে শুরু থেকেই খেলানোর সম্ভাবনা প্রবল। তিনি ফিরলে নিকোলাস ওতামেন্দির জায়গায় লিসান্দ্রো মার্তিনেজের সঙ্গে গড়ে তুলবেন অনবদ্য এক সেন্টার-ব্যাক জুটি। দুই প্রান্তে থাকবেন নাহুয়েল মোলিনা ও ফাকুন্দো মেদিনা, আর গোলবারের নিচে ভরসার নাম এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রথম একাদশ হতে পারে এমন – মার্তিনেজ মোলিনা, রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, মেদিনা; ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার, ফার্নান্দেজ; থিয়াগো আলমাদা; লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্তিনেজ।

এখন দেখার পালা, মেসি কি টানা অষ্টম বিশ্বকাপ ম্যাচেও জালের ঠিকানা খুঁজে নতুন এক রেকর্ডকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবেন, নাকি অভিষিক্ত কেপ ভার্দে লিখবে বিশ্বকাপের আরেকটি অপ্রত্যাশিত গল্প।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link