সুফিয়ানের ‘বিমাতা’ পাকিস্তান

কিন্তু, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি - কোনোটাতেই তিনি নিয়মিত নন। দুই ওয়ানডেতে উইকেট পেয়েছেন ছয়টি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিষেকেই নিয়েছিলেন চার উইকেট। নিউজিল্যান্ডে এবার নিলেন দুই উইকেট।

সুফিয়ান মুকিমের পক্ষে যা যা সম্ভব, তিনি তাঁর সবটাই করলেন, যেমনটা আগেও করেছেন, বারবার করেন। কিন্তু, ভাগ্যের চিঁড়ে ভিজে না। নামটা হয়তো এখনো ক্রিকেটবিশ্বে ততটা আলোড়ন তোলেনি, কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, এই ছেলেটা সুযোগ পেলেই পারফরম করে।

সমস্যা একটাই — সুযোগটা আর তেমন আসছে না! আরও স্পষ্ট করে বললে, পাকিস্তানর টিম ম্যানেজমেন্ট তাঁকে ধারাবাহিক সুযোগ দিতে নারাজ।  ১০ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিলেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, দ্বিতীয় ওয়ানডেতে তিনি বল হাতে দলের সেরা পারফরমার।  এর আগে একটা টি-টোয়েন্টি খেলেও নিউজিল্যান্ডের মাটিতে একইরকম ত্রাস ছড়ান!

কিন্তু, ওয়ানডে বা টি-টোয়েন্টি – কোনোটাতেই তিনি নিয়মিত নন। দুই ওয়ানডেতে উইকেট পেয়েছেন ছয়টি। দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিষেকেই নিয়েছিলেন চার উইকেট। নিউজিল্যান্ডে এবার নিলেন দুই উইকেট।

টি-টোয়েন্টিতে ১০ ম্যাচে ১৮ উইকেট! সংখ্যাগুলো বলে, ব্যাটসম্যানদের জন্য এই বাঁ-হাতি স্পিনার এক ভয়ঙ্কর অস্ত্র। কিন্তু, এত ভয় ছড়াতে চাওয়ার মানসিকতা নেই পাকিস্তান দলের।  যে দল আসলে ব্যাটই হাতে নিতে জানে না, তাঁরা ভাল বোলার দিয়ে করবে আর কি! সুফিয়ান মুকিমদের জন্য তাই বারবার হতাশাই হয় সঙ্গী।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link