শেষবার অভিষেককে নিয়ে কি বাজি ধরবে ভারত?

একের পর এক সুযোগ পাচ্ছেন, প্রতিবারই ব্যর্থ হচ্ছেন। অভিষেক শর্মা রাতারাতি বনে গেছেন দলের বোঝা। নায়ক হয়ে বিশ্বকাপে পা রাখা অভিষেক এখন খলনায়ক। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, ফাইনালেও কি সুযোগ পাবেন অভিষেক?

একের পর এক সুযোগ পাচ্ছেন, প্রতিবারই ব্যর্থ হচ্ছেন। অভিষেক শর্মা রাতারাতি বনে গেছেন দলের বোঝা। নায়ক হয়ে বিশ্বকাপে পা রাখা অভিষেক এখন খলনায়ক। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, ফাইনালেও কি সুযোগ পাবেন অভিষেক?

প্রথম তিন ম্যাচের তিনটিতেই শূন্য। সাত ম্যাচে ৮৯ রান, গড় ১২, স্ট্রাইক রেট ১৩০। বড় মঞ্চে একজন ওপেনারের কাছ থেকে আসা এমন বিবর্ণ পারফরম্যান্স দলের ভরাডুবিতেই কেবল অবদান রাখতে পারে। সেটাই করে গেছেন অভিষেক।

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রতিবারই শুরুতেই দলকে বিপাকে ফেলেছেন। প্রতিপক্ষের জন্য যেন তার উইকেট শুরুতেই বরাদ্দ থাকত। শুরুর দিকের সৃষ্ট চাপটা সামলাতে হয়েছে বাকিদের। যদিও শক্তিশালী ব্যাটিং অর্ডার থাকায় খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। তবে এখানেই বড় প্রশ্ন, বেঞ্চেও যে যথেষ্ট বিকল্প আছে, তবে শক্তিশালী দলে কেন দুর্বল একজনকে প্রতিনিয়ত সুযোগ দেওয়া হচ্ছে?

মূলত একটা বিশ্বাস থেকেই সুযোগ পেয়েছেন। এক ম্যাচে দাঁড়িয়ে গেলেই যে চুরমার হবে প্রতিপক্ষ। তবে সেই দাঁড়ানোটা আর এখনও পর্যন্ত হয়নি। বাকি আছে একটা ম্যাচ, সেখানে নিশ্চয় তাঁকে নিয়ে আর ঝুঁকি নিতে চাইবে না ম্যানেজমেন্ট। এখন প্রশ্নটা দাঁড়াচ্ছে, তবে তাঁর জায়গায় ফিরবে কে?

ভারতের কাছে সবচেয়ে ভালো বিকল্প এই মুহূর্তে রিঙ্কু সিং। এতে করে ফিনিশিং রোলের শক্তি বাড়বে। আর ওপেনিংটা সামলাবেন সাঞ্জু স্যামসন এবং ইশান কিষাণ। সেক্ষেত্রে ব্যাটিং অর্ডারে বাকি সবাই এক ধাপ এগোবে। এখন দেখার বিষয় টিম ম্যানেজমেন্ট আসলে কী চিন্তা করে, শেষবার কী বাজি ধরবে অভিষেকের উপর নাকি বসিয়ে দেওয়া হবে বেঞ্চে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link