কেমন হবে ফাইনালের উইকেট?

ওয়াংখেড়েতে রানের উৎসবে মেতেছিল ভারত-ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ৪৯৯ রানের ম্যাচে শেষটাতে জয়ের দেখা পেয়েছে ভারত। এবার অন্তিম লড়াই, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনাল মহারণ। এটাও কি হতে যাচ্ছে হাই-স্কোরিং ম্যাচ? আহমেদাবাদের উইকেট কেমন হতে পারে?

ওয়াংখেড়েতে রানের উৎসবে মেতেছিল ভারত-ইংল্যান্ডের ব্যাটাররা। ৪৯৯ রানের ম্যাচে শেষটাতে জয়ের দেখা পেয়েছে ভারত। এবার অন্তিম লড়াই, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনাল মহারণ। এটাও কি হতে যাচ্ছে হাই-স্কোরিং ম্যাচ? আহমেদাবাদের উইকেট কেমন হতে পারে?

দুই দলই ফাইনালের জন্য সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে উইকেটকেও। সেক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের দিকে তাকালে সেখানকার পিচ খুব বেশি সহায়ক নয় স্পিনারদের জন্য। তবে পেসাররা গতি-বাউন্সের ফায়দা তুলতে পারেন।

ফাইনাল ম্যাচ হবে সেন্ট্রাল উইকেটে। রিপোর্ট অনুযায়ী পিচে কালো এবং লাল মাটির মিশ্রণ থাকবে। ধারণা করা হচ্ছে আরও এক হাই-স্কোরিং ম্যাচই হবে এখানে। শেষবার সেন্ট্রাল পিচে ম্যাচ খেলে দক্ষিণ আফ্রিকা, ২১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে কানাডাকে ৫৩ রানে হারিয়েছিল।

ভারত এই মাঠে দুইবার খেলেছে। প্রথমবার গ্রুপ পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ১৭ রানে জয়, দ্বিতীয়বার সুপার ৮-এ দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অবশ্য হারতে হয়েছে। সেই একমাত্র হারই টুর্নামেন্টে তাদের রেকর্ডে কালো দাগ। বাকি সব ম্যাচে ভারত পুরোপুরি শক্তিশালী রূপেই সামনে এসেছে।

তবে ফাইনালের আবহটা ভিন্ন। কাগজ-কলমের হিসাব এখানে নেই। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ, এক ম্যাচ বাদ দিলে পুরো আসরজুড়েই এই কথার প্রতি সুবিচার করে এসেছে তারা। বোলিং লাইনআপটাও যথেষ্ট শক্তিশালী। মোটকথা ভারত ভারসাম্যপূর্ণ এক দল।

অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডও কম যায় না। দাপট দেখিয়ে যোগ্য দল হিসেবেই ফাইনালে পৌঁছেছে তারা। তাই তো উইকেট, আবহ যাই হোক না কেন কেউ যে কাউকেই ছেড়ে কথা বলবে না।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link