ছক্কার কৌশলে সফল বাংলাদেশ

পরিকল্পনাটা পানির মত পরিস্কার। বল স্লটে আসলে সেটাকে পেটাতে হবে। বাউন্ডারির ওপারে পাঠাতে হবে। মিরপুর শেরে বাংলার উইকেটটাই এমন সেখানে রান করতে হলে অপেক্ষা করতে হবে বাজে বল আসা পর্যন্ত। আর সেই কৌশলে সফল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ছক্কা হাঁকিয়েছেন নয়টা।

পরিকল্পনাটা পানির মত পরিস্কার। বল স্লটে আসলে সেটাকে পেটাতে হবে। বাউন্ডারির ওপারে পাঠাতে হবে। মিরপুর শেরে বাংলার উইকেটটাই এমন সেখানে রান করতে হলে অপেক্ষা করতে হবে বাজে বল আসা পর্যন্ত। আর সেই কৌশলে সফল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ব্যাটাররা ছক্কা হাঁকিয়েছেন নয়টা।

চলতি বছরে এমনিতেই ছক্কার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ দল। ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ব্যাটাররা মেরেছেন ১০৮টি চার। আর ছক্কার সংখ্যা ঠিক ৯৭টি! মানে, ১০ চারের বিপরীতে প্রায় নয়টি করে ছক্কা! মিরপুরের উইকেটের মিসিং লিংক বুঝে ফেলেছে বাংলাদেশ।

পাকিস্তানের বিপক্ষে শেরে বাংলার ধীর গতির উইকেটে বাংলাদেশ মেরেছে ছয়টি চার, সঙ্গে নয়টি ছক্কা! চারের চেয়ে ছক্কা বেশি! কে বলেছে, বাংলাদেশের ব্যাটাররা পাওয়ার হিটিং জানে না? আসলে, ছক্কার এই বিপ্লবটাই এখন বাংলাদেশের কৌশলগত পরিবর্তন।

মিরপুরের উইকেটে ডট বল অপরিবর্তনশীল। এখানে ডট বল চাইলেও ঠেকানো যাবে না। সেখানে উপায় একটাই, মারার বল গুলোকে মারতে হবে। সেখান থেকে আদায় করে নিতে হবে সর্বোচ্চ সুবিধা।

জাকের আলী একাই হাঁকিয়েছেন পাঁচটি ছক্কা। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে গেছেন শেখ মেহেদী হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন কিংবা রিশাদ হোসেনরা। সেই জায়গাটায় পিছিয়ে গেছে পাকিস্তান। সালমান আলী আঘা ২৩ বলে নয় রান করেছেন। তিনি বাংলাদেশের কৌশল অবলম্বন করেননি। বরং করেছিলেন ফাহিম আশরাফ। চার ছক্কা আর চারটি চারে হাফ সেঞ্চুরি পেয়ে যান। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি পাকিস্তানের। শেষ ওভারে গিয়ে অলআউট হয় তাঁরা।

পাওয়ার হিটিংয়ের এই অধ্যায়ে পাস মার্ক পাওয়া গেছে বাংলাদেশ। এবার মিরপুরের বাইরের উইকেট গুলোতে ডট বলের পরিমান কমিয়ে আনতে পারলেই নিয়মিত চ্যালেঞ্জার হতে পারে বাংলাদেশ। বিশ্ব ক্রিকেটে বুক চিতিয়ে টিকে থাকার সেই দিনটা কি খুব দূরে?

Share via
Copy link