ওয়ানডেতে বোলিংয়ে নিজের ছায়া হয়েই ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। সেই ছায়াটাকে অবশেষে কাটিয়ে উঠতে পারলেন আবুধাবির মাঠে। অবশ্য, সেই একই দিনে পথ হারালেন ব্যাটার মিরাজ।
ব্যক্তিগত চার রানের মাথায় এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন। সেখানে আবার রিভিউ নিয়ে সেটা মিস করেন। দলের বিপদ বাড়িয়ে সাজঘরে ফিরে যান।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচের সেরা বোলার তিনি। ৪২ রানে তিন উইকেট নিয়ে তিনি আটকে দিয়েছেন প্রতিপক্ষকে। আফগানরা ১৯০ রানের বেশি করতেই পারেনি।

এই ম্যাচের আগে ২০২৫ সালে ছয় ম্যাচ খেলে মাত্র চারটি উইকেট নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মাত্রই অধিনায়ক হিসেবে ওয়ানডে দলের দায়িত্ব নিয়েছেন। এর মধ্যে, হঠাৎ করেই বোলিংটা নড়বড়ে হয়ে গেলে সেটা ভাল দেখায় না। সেটাই বারবার হচ্ছিল মিরাজের সাথে।
গেল ডিসেম্বর থেকে গত জুলাই পর্যন্ত টানা পাঁচ ম্যাচ উইকেট শূন্য ছিলেন মিরাজ। এর মধ্যে একটা আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও খেলে ফেলেন। অধিনায়ক বনে যাওয়ার পর শ্রীলঙ্কাতে উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন, তবে তাঁর বোলিং মন ভরাতে পারছিল না।
অবশেষে সেই মন ভরানোর কাজটা হল আরব আমিরাতে গিয়ে। প্রথম ম্যাচেও ইতিবাচক বোলিং করেছিলেন। দারুণ এক ডেলিভারেতে বোল্ড করেন রহমানুল্লাহ গুরবাজকে। সেই পারফরম্যান্সটাই এবার পূর্ণতা পেল দ্বিতীয় ওয়ানডেতে।

এবার নিলেন তিন উইকেট। হাশমতউল্লাহ শাহিদীর উইকেট দিয়ে শুরু। এরপর রশিদ খানের পর মিরাজ সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন ইব্রাহিম জাদরানকে। মিরাজের জন্যই আফগানিস্তানের ইনিংসটা সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত লম্বা হল না। আর ব্যাট হাতে সেই সম্ভাবনা বাঁচিয়ে রাখতে পারলেন না বাংলাদেশের অধিনায়ক।










