ক্রিকেটে প্রতিভা চেনার অনেক উপায় থাকলেও, চরিত্র চেনা যায় কেবল বড় মঞ্চের চাপের মুখে। বাংলাদেশের তরুণ পেস সেনসেশন নাহিদ রানার সামনে এখন ঠিক তেমনই এক অগ্নিপরীক্ষা। পিএসএল ফাইনাল! একজন উদীয়মান ক্রিকেটারের জন্য ফাইনাল ম্যাচের যে টেম্পারমেন্ট বা মানসিক দৃঢ়তা প্রয়োজন, তা নেটের অনুশীলনে কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়। আর ঠিক এই কারণেই নাহিদকে ফাইনাল খেলার সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
এটি কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং একজন তরুণ পেসারের পরিণত হয়ে ওঠার এসিড টেস্ট। এমন বড় মঞ্চের এক্সপোজার নাহিদের মতো তরুণদের জন্য যেমন আশীর্বাদ, বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যতের জন্য তা এক বিশাল ইতিবাচক সংকেত।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষে বিরতিটা ভালোই কাটছিল নাহিদের। বিসিবির পরিকল্পনা ছিল আগামী রোববার অনুশীলনে তিনি ৬-৭ ওভার বোলিং করবেন। তবে পরিস্থিতির খাতিরে এখন তাকে লড়তে হবে ফাইনালের মঞ্চে।

বিসিবির মেডিকেল টিমের গ্রিন সিগন্যাল থাকায় বোর্ড এই রোমাঞ্চকর সুযোগটি হাতছাড়া করতে চায়নি। বড় ম্যাচের চাপ সামলানোর যে টেম্পারমেন্ট নাহিদ এই ফাইনাল থেকে পাবেন, তা আগামী দিনে লাল-সবুজ জার্সিতে তাকে আরও পরিণত করে তুলবে।
অবশ্য মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। সামনেই পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ, তার আগে দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি আর চোটের একটা প্রচ্ছন্ন ঝুঁকি থেকেই যায়। তবে বিসিবি মনে করছে, ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এমন অভিজ্ঞতার সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না।
দিনশেষে, রানার এই অভিজ্ঞতা কেবল তার ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার সমৃদ্ধ করবে না, বরং বাংলাদেশের ড্রেসিংরুমেও বয়ে আনবে বড় ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস। রানার এই সাহসী যাত্রায় জয় হোক বাংলাদেশের ক্রিকেটের।












