প্রথম ১০ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ছিল ৯৪, মাত্র একজন ব্যাটার ফিরে গেছেন সাজঘরে। সেখান থেকে শেষ ১০ ওভারে মাত্র ৫৫ রান তুলতে পারে শাই হোপের দল। চট্টগ্রামের সাগরিকায় বোলিংয়ে অভাবনীয় এক কামব্যাক করেছে বাংলাদেশ দল।
আরও নির্দিষ্ট করে বললে, সেই কামব্যাকের নেতৃত্ব দিয়েছেন দুই স্পিনার নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেন। ১১ তম ওভারে পরপর দুই বলে নাসুম আহমেদ ফিরিয়ে দেন অ্যালিক অ্যাথানেজ ও শেরফান রাদারফোর্ডকে।

১৫ তম ওভারে আবারও জোড়া আঘাত। এবার রিশাদ হোসেন। একই ওভারে তিনি ফিরিয়ে দেন রোভম্যান পাওয়েল ও জেসন হোল্ডারকে। সফরকারী ক্যারিবিয়ানদের বড় রান করার স্বপ্ন সেখানেই ভেস্তে যায়। এই সময়ে ২০ বল খেলে মাত্র ১২ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, হারায় পাঁচটি উইকেট।
যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ একটা সময় ২০০ রান করার স্বপ্ন দেখছিল, তাদের রানটা তখন ১৫০ হওয়াটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছিল। এরপর সেই পার্টিতে যোগ দেন মুস্তাফিজুর রহমান। তিন উইকেট নিয়ে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আটকে রাখেন ১৪৯ রানের মধ্যে। কেবল শেষ ওভারেই তিন উইকেট হারায় উইন্ডিজ।











