টাইগার যুবাদের শিরোপা ডিফেন্ড করার মিশন

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, চাপটা বাংলাদেশী যুবাদের উপর থাকছে বেশি। সেই চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই তামিমরা বনে যেতে পারেন ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন।

ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই তাদের চ্যালেঞ্জটা বেশি। আবারও বাংলাদেশের যুবাদের জন্য হুমকি ভারতীয় যুবারা। গত আসরে তাদেরকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ। আজিজুল হাকিম তামিমের দল এবার শিরোপা ডিফেন্ড করতে পারবে কি-না, সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

ধারাবাহিকভাবে গতবার এশিয়া কাপে পারফরম করে গেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের গ্রুপে রানার্সআপ হয়েছিল যুব টাইগাররা। এরপর সেমিফাইনালে হেভিওয়েট পাকিস্তানকে পরাজিত করেছিল তারা বেশ হেসে-খেলে। সেই ধারা অব্যাহত রেখেছিল ফাইনালের মঞ্চেও। ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে যুব পর্যায়ে আরও একটি আন্তর্জাতিক শিরোপা যুক্ত হয় বাংলাদেশের নামের পাশে।

সেই আসরে আজিজুল হাকিম তামিম ছিলেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, আর টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এক সেঞ্চুরি ও দুই হাফসেঞ্চুরিতে ২৪০ রান এসেছিল তামিমের ব্যাট থেকে। ৮০ গড়ে তার ব্যাট থেকে বেশ ধারাবাহিকভাবে রান করে গেছেন তরুণ এই বা-হাতি ব্যাটার।

তামিম ব্যাট হাতে দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, অন্যদিকে বল হাতে প্রতিপক্ষের সামনে পর্বতসম বাঁধা হয়ে দাঁড়ান ইকবাল হোসেন ইমন। পাঁচ ম্যাচে ১৩ উইকেট বাগিয়ে তিনি হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। অতএব ব্যাটে-বলে বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মত দলগত অবদানও রেখেছিলেন প্রত্যেকে।

এবারও বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বে পৌঁছেছে সংযুক্ত আমিরাতে। দলে আছেন পেসার ইমনও। ১৩ ডিসেম্বর আফগানিস্তানের যুবাদের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের এশিয়া কাপ যাত্রা শুরু করবে বাংলাদেশের যুবারা। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশের ঘরের মাঠে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলে গেছে আফগানিস্তানের যুবারা। ২-২ ব্যবধানে সিরিজটি হয়েছিল ড্র।

সুতরাং প্রথম বাঁধা খুব একটা সহজ হবে না তামিমদের জন্য। এই গ্রুপে বাংলাদেশের বাকি দুই প্রতিপক্ষ, শ্রীলঙ্কা ও নেপালের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে, চাপটা বাংলাদেশী যুবাদের উপর থাকছে বেশি। সেই চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেই তামিমরা বনে যেতে পারেন ব্যাক টু ব্যাক চ্যাম্পিয়ন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link