তাঁরাও বুঝি ব্যর্থ হতে জানেন!

ক্রিকেটের সুপার হিরোরাও ফরম্যাট ভেদে বরণ করে নিয়েছেন ব্যর্থতাকে। এ তথ্য হয়ত অনেকেরই অজানা। খোদ স্যার গ্যারি সোবার্স, শচীন টেন্ডুলকার কিংবা গ্লেন ম্যাকগ্রার মতো মহাতারকারাও ক্যারিয়ারের কোনো এক পর্যায়ে পরিসংখ্যানের বিচারে ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হয়েছেন।

ক্রিকেটের সুপার হিরোরাও ফরম্যাট ভেদে বরণ করে নিয়েছেন ব্যর্থতাকে। এ তথ্য হয়ত অনেকেরই অজানা। খোদ স্যার গ্যারি সোবার্স, শচীন টেন্ডুলকার কিংবা গ্লেন ম্যাকগ্রার মতো মহাতারকারাও ক্যারিয়ারের কোনো এক পর্যায়ে পরিসংখ্যানের বিচারে ব্যর্থ হিসেবে গণ্য হয়েছেন।

​ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার মানা হয় স্যার গ্যারি সোবার্সকে। টেস্ট ক্রিকেটে যার দাপট ছিল আকাশচুম্বী, সেই সোবার্স তাঁর পুরো ক্যারিয়ারে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন মাত্র একটি। দুর্ভাগ্যবশত সেই ম্যাচে তিনি রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন। ফলে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বকালের সেরা এই অলরাউন্ডারের ব্যাটিং গড় চিরকাল শূন্য হয়েই রয়ে গেল।

একই অভিজ্ঞতা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রার ক্ষেত্রেও। টেস্ট ও ওয়ানডেতে যার ইকোনমি রেট যথাক্রমে ২.৬ এবং ৩.৮৮, সেই লাইন-লেংথের জাদুকর টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছিলেন পুরোপুরি অচেনা।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে মাত্র দুই ম্যাচ খেলে ৭৯ রান খরচ করেছেন ম্যাকগ্রা। ফলে এই ফরমেটে তাঁর ইকোনমি রেট দাঁড়িয়েছে ৯.৮৮ – যা তাঁর গাম্ভীর্যের সাথে একেবারেই বেমানান।

ব্যাট হাতে প্রায় সব রেকর্ড নিজের দখলে রাখা দ্যা গ্রেট শচীন টেন্ডুলকার তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলেছেন মাত্র একটি। ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ছিল দশ রান। ফলে টেস্টে ৫৩ আর ওয়ানডেতে ৪৪ গড় রাখা শচীনের নামের পাশে টি-টোয়েন্টি গড় মাত্রই দশ।

লেখক পরিচিতি

ক্রীড়াচর্চা হোক কাব্য-কথায়!

Share via
Copy link