ভারতকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানোর নায়ক সাঞ্জু স্যামসনকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের অন্যতম বড় ট্রেডে দলে ভিড়িয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। যে ফর্মে ছিলেন, তাঁকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল আকাশচুম্বী, তবে দুই ম্যাচ খেলেই স্যামসন বুঝিয়ে দিলেন প্রত্যাশা আর বাস্তবতার ফারাকটা।
গত আসরটা চেন্নাইয়ের জন্য ছিল ভুলে যাওয়ার মতো। পয়েন্ট টেবিলের একেবারে শেষ ধাপেই থেকে আসর শেষ করেছিল ধোনির চেন্নাই। এবার সেই ব্যথা ভুলতেই বিকল্প পরিকল্পনা সমেত হাজির হয়েছিল চেন্নাই। জাদেজাকে ছেড়ে বিশাল মূল্য চুকিয়ে দলে ভিড়িয়েছিল সাঞ্জু স্যামসনকে।

উইকেটরক্ষক ব্যাটার, ধোনির উত্তরসূরি, চেন্নাইয়ের নতুন প্রাণভোমরা, এমন সব বিশেষণে বিশেষায়িত করা হয়েছিল তাঁকে। তবে প্রথম দুই ম্যাচ খেলেই হতাশার অন্ধকারে যেন তলিয়ে গেলেন।
প্রথম ম্যাচে নিজের প্রাক্তন দল রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে মাত্র ছয় করেই সাজঘরে ফিরেছিলেন। ক্রিকেটে তো সব ম্যাচ কেউ ভালো খেলে না। এমন এক ঘটনা হিসেবে এটাকে ধরে নিয়ে ভক্তরা স্বপ্ন বুনেছিলেন পরের ম্যাচের জন্য। তবে আশার আগুনে রীতিমতো জল ঢেলে দিলেন সাঞ্জু। পাঞ্জাব কিংসের সাথে মোটে সাত রান করে হতাশার কবিতাই হয়ে থাকলেন।

অথচ এই দলটার ভিত হিসেবে ভাবা হচ্ছিল তাকেই। যথেষ্ট কারণও যে আছে। আইপিএলের অন্যতম সফল ব্যাটার তিনি। ব্যাট হাতে সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে রাজ করেছেন। পাঁচ ইনিংসে ৩২১ রান, বাগিয়ে নিয়েছেন বিশ্ব আসরে টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কারও। এমন একজন নিজের চেনা জায়গায় এমন হোঁচট খেয়ে পড়ছেন, সেটা দেখা মোটেও শোভনীয় নয়। তবে কি সাঞ্জুর ব্যাটটা রাজস্থানের সেই মায়া কাটিয়ে উঠতে পারেনি?
Share via:











