আঠারো বছর বয়স কী দুঃসহ, স্পর্ধায় নেয় মাথা তোলবার ঝুঁকি, আঠারো বছর বয়সেই অহরহ বিরাট দুঃসাহসেরা দেয় যে উঁকি। আয়ুশ মাহত্রে যেন এই কবিতাখানা বুকের ভেতর লালন করেন। নইলে ১৮ বছরের এক ছোকরার ব্যাট এতটা পরিণত, পরিপাটি হয় কি?
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ বরাবরই বিষ্ময়ের কারখানা। কিশোররা উঠে এসে রাজ করেন এখানে। সেই ধারার এক নিদর্শন এই আয়ুশ মাহত্রে। চেন্নাইয়ের দূর্দিনে পরিণত বয়সের ছাপ রেখে গেলেন।

৪৩ বলে ৭৩ রানের এক অনবদ্য নক-আউট ব্যাট থেকে। তবে এটাকে কেবল সংখ্যার মানদণ্ডে পরিমাপ করলে ভুল হবে। গত ম্যাচে পর্যদুস্ত হওয়া চেন্নাইয়ের শুরুটা এই ম্যাচেও মলিন ছিল। তবে রংচোটা স্কোরবোর্ডে প্রাণ ফিরিয়েছেন আয়ুশ। অভিজ্ঞ স্যাঞ্জু স্যামসন যখন সাজঘরে ফিরে গেলেন, পাঞ্জাবের বোলাররা যখন একেবারে চেপে ধরলেন, তখন বিস্ফোরণ ঘটালেন আয়ুশ।
প্রতিআক্রমনের পসরা সাজিয়ে বসলেন, ঋতুরাজ গায়কোয়াডকে সাথে নিয়ে গড়ে তুললেন ৯৬ রানের জুটি। মাঝের সময়টাতে কেবলই হিসাব কষেই তাণ্ডব চালিয়েছেন। বাজে বলটার ঠাই হয়েছে সীমানার দড়ির ওপারে, ভালোটা ঠিকই সমীহ আদায় করেছেন। তবে রানের চাকা ছুটেছে দূর্বার গতিতে।

অবশ্য জীবন পেয়েছিলেন দুবার। তবে সেটাকে কাজে লাগিয়েছেন শতভাগই। চাপের মাঝে দাঁড়িয়ে শাসন করেছেন বোলারদের, নিঁখুত এক ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিয়েছেন, ১৮ বছর বয়স কোন বাধা মানে না।











