বিপদে যেমন বন্ধু চেনা যায়, ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। দল বিপদে পড়লে আসল খেলোয়াড় চেনা যায়। যিনি চাপের বোঝা মাথায় নিয়ে হাল ধরেন, উদ্ধারকারী জাহাজ হিসেবে দলকে টেনে তোলেন। রাওয়ালপিন্ডির জন্য স্যাম বিলিংস সেই কাজটাই করলেন।
নতুন দল, নতুন স্বপ্ন নিয়ে পা রেখেছিল পাকিস্তান সুপার লিগের ময়দানে। তবে কোনভাবেই নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী সফলতা পাচ্ছে না। একটা জয় যেন বাঘের চোখ। ব্যাটাররা ব্যর্থ হচ্ছেন বড় রান তুলতে, বোলাররা পারছেন না সেরাটা দিতে। যার প্রভাব পড়ছে ফলাফলে।

শুরুটা ছিল ব্যর্থতায় মোড়া। ১৫ রানেই ভাঙে ওপেনিং জুটি। ১০০ না পেরোতেই পাঁচ ব্যাটার তখন সাজঘরে। শঙ্কা জেগে ওঠে পর্যাপ্ত রান স্কোরবোর্ডে জমা করতে পারবে তো রাওয়ালপিন্ডি।
একেক ব্যাটার যখন আত্মাহুতি দিয়ে ফিরে যাচ্ছে সেখানে দাঁড়িয়ে গেলেন স্যাম বিলিংস। একটা প্রান্তে সুরক্ষার দেয়াল তুলে দিলেন। এরপর শুরু হলো রান তোলার মিশন। স্কোরবোর্ড সচল রাখার জন্য যা যা করার সেটাই করেছেন। সুযোগ পেলে বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন, আবার সতর্কতার সাথে ভালো বলারের বিপক্ষে উইকেট বাঁচিয়ে রেখেছেন।

নিজের ব্যাটে পশ্চাশ পেরিয়েছেন। তবে হার মানেননি, উইকেটটা হারাতে দেননি। ইনিংস শেষে ৩৪ বল মোকাবিলা করে ৫৪ রানে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছেড়েছেন বিলিংস। আর দলের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১৮২। সবটাই যে ওই বিপদের বন্ধুটির জন্য।











