শরিফুলের অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তন

এই ম্যাচটা তাঁর খেলার কথাই নয়। মুস্তাফিজুর রহমানের সকাল বেলায় পাওয়া চোটে কপাল খুলে যায় শরিফুল ইসলামের। আর তারপরই বাজিমাৎ। 

এই ম্যাচটা তাঁর খেলার কথাই নয়। মুস্তাফিজুর রহমানের সকাল বেলায় পাওয়া চোটে কপাল খুলে যায় শরিফুল ইসলামের। আর তারপরই বাজিমাৎ।

এক বছরের বেশি সময় বাদে ফিরেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে। কাগজে-কলমের হিসাবে ৪৯৩ দিন। আর তাতে প্রথম ৩০ টা ডেলিভারি, মানে প্রথম পাঁচ ওভারে ২৭ টা ডট। অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা।

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে সদ্যই ফেরা শরিফুলের কাছ থেকে এই পারফরম্যান্স একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। শুধু মিতব্যয়ী বোলিং নয়, জরুরী দু’টো ব্রেক-থ্রুও এনে দিয়েছেন।

নিক কেলি ও মোহাম্মদ আব্বাসকে ফেরান তিনি। ১০ ওভারের বোলিং কোটা শেষ করেন ২৭ রানে দুই উইকেট নিয়ে। আধুনিক ক্রিকেটের বিবেচনায় খুবই বিস্ময়কর বোলিং ফিগার।

এমনিতে, উইকেট বিবেচনায় বাংলাদেশের একাদশ মোক্ষম ছিল না। একজন পেসার কমিয়ে বাড়তি একজন স্পিনারের অভাব বোধ করেছে মিরাজের দল। কারণ, বল একটু স্লো হয়ে আসছিল। যদিও, শরিফুল নিজের কাজে ছিলেন অটল।

সফরকারী  শেষ অবধি নিউজিল্যান্ড দল আট উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করে থামে। শরিফুল না থাকলে স্কোরটা দিব্যি ২৭০-এ চলে যেতেই পারত।

Share via
Copy link