খুব একটা লম্বা নন। পেসার বলে মনেই হয় না। কিন্তু, একবার সাদা বল তুলে দিন তাঁর হাতে, ২২ গজে আগুন ছড়াবে। এ গল্প শুধু প্রিন্স যাদবের নয়, এই গল্প সেই সব তরুণদের যারা বাবা-মায়ের মারের ভয়েও খেলা বন্ধ করেননি।
অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে পুলিশ ভাবতেন ছেলে ঘরের রোজগারে হয়তো সাহায্য করবে কিছুটা। কিন্তু, কে শোনে কার কথা। বেদম প্রহার হজম করেও ঠিকই প্রিন্স ছুটে গেছেন টেপ-টেনিসের ক্রিকেট খেলতে।
১৭ বছর বয়সের আগে ক্রিকেট বল হাতেও নেননি। এরপরই এক একাডেমিতে ভর্তি হন। তারপর যেন দিন গেছে স্বপ্নের মতো। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের নেটে মোহাম্মদ শামি যখন এসে পরামর্শ দেন তখন এসবের কিছুই বিশ্বাস হয় না তাঁর।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে প্রিন্স বলেন,”পেশাদার ক্রিকেটার হওয়ার কথা কখনো ভাবিনি। আনন্দের জন্যই খেলেছি। টেপ-টেনিসে পেস করতে অনেক শক্তি দিতে হয়, সেটাই ক্রিকেট বলে আলাদা সুবিধা দেয়।”
গতবছর লখনৌর জার্সিতে অভিষেক হলেও স্মরণীয় কিছু করতে পারেননি। কিন্তু, এবার নিজের সবটুকু নিংড়ে দিচ্ছেন। ছয় ম্যাচ খেলে ১১ উইকেট শিকার করে আছেন পার্পল ক্যাপের লড়াইয়েও।
ছুটে এসে ইয়র্কারে বিধ্বস্ত করছেন ব্যাটারদের। আলাদা করে নজরে আছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও। পেশাদার ক্রিকেটের বাইরে গিয়ে প্রিন্স আজও ভুলে যাননি আনন্দের জন্য খেলা। তাই তো, আইপিএল শেষ হলেই ছুটে যান গ্রামে, টেপ-টেনিস বলে আগুন ধরাতে।











