শুরু থেকেই অবশ্য ম্যাচের লাগাম টেনে ধরেছিল গুজরাট। সাই সুদর্শন আর শুভমান গিল মিলেই তোলেন ১১৮ রান। এমন শুরুর পর রান যে পাহাড়সম হবে, তা অনুমেয়ই ছিল। সুদর্শনের ফিফটি আর গিলের ৮৪ রানের ওপর ভর করে গুজরাট জমা করে ২২৯ রান।

তাড়া করতে নেমে বৈভব সুরিয়াভানশির তোলা ঝড়ের প্রকোপে পড়তে হয়েছিল গুজরাটকে। তবে দ্রুতই টাল সামলে নেয় তারা। ৩৬ রানে বৈভব বিদায় নিলেই বদলে যায় ম্যাচের দৃশ্যপট। রবীন্দ্র জাদেজা একটা চেষ্টা চালিয়েছেন। তবে রাশিদের সামনে সেটা টিকে থাকার মতো না।
দাপট কমে এসেছে রাশিদের। রশিদকে জয় করতে শিখে গেছে ব্যাটাররা। এমন সব কথা যখন রটছে ক্রিকেটপাড়ায়, তখনই নিজের পুরোনো ম্যাজিকে শান দিয়ে নিলেন রশিদ। চার উইকেট তুলে বুঝিয়ে দিলেন, এখনও ব্যাটারদের আতঙ্ক তিনি। যদিও রান বিলিয়েছেন ৩৩, তবে সেটাকে টি-টোয়েন্টির এই জামানায় মন্দ বলার উপায় নেই।

দিনশেষে রাজস্থান তাই গুটিয়ে গেছে ১৫২ রানে। ৭৭ রানের বিশাল জয় নিয়ে এক লাফে পয়েন্ট টেবিলের দুইয়ে উঠে এসেছে গুজরাট। সেই সঙ্গে আরও একবার জমে উঠল সমীকরণের হিসাব-নিকাশটা।
Share via:










