ইমপ্যাক্ট কিং বৈভব!

মোহাম্মদ সিরাজকে যখন নিজের খেলা প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকালেন ওটাই ছিল ঝড়ের পূর্বাভাস। এরপর আরও এক স্বভাবসুলভ দিন কাটালেন বৈভব সুরিয়াভানশি। না, ফিফটির গন্ডিটাও পার করতে পারেননি তবে প্রায় তিন ওভার ক্রিজে থেকেই নিজের ইমপ্যাক্ট রেখে গেছেন।

মোহাম্মদ সিরাজকে যখন নিজের খেলা প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকালেন ওটাই ছিল ঝড়ের পূর্বাভাস। এরপর আরও এক স্বভাবসুলভ দিন কাটালেন বৈভব সুরিয়াভানশি। না, ফিফটির গন্ডিটাও পার করতে পারেননি তবে প্রায় ৩ ওভার ক্রিজে থেকেই নিজের ইমপ্যাক্ট রেখে গেছেন।

বোলাররা ধরেই নিয়েছে তাঁকে থামানো সম্ভব না। কেউ নেই, কোনো প্রযুক্তি কিংবা তন্ত্র-মন্ত্র নেয় যে বৈভবকে দমিয়ে রাখা যায়। এখন একটাই উপায়, ক্রিজে বৈভব যতক্ষণ আছে ওকে ওর মতো থাকতে দেওয়া, ওর ব্যাটিং ঝড় উপভোগ করা আর ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকা। এর বাইরে একজন বোলার বা প্রতিপক্ষ দলের কিছুই করার আসলে নেই।

২৩০ রানের পাহাড় টপকানোর চাপ নিয়েই নামতে হয়েছে রাজস্থানকে। অবশ্য এই রান এখন হরহামেশাই চেজ হয় তবুও একটা ২০০ প্লাস রানের ভারতীয় বজায় আছে এখনও। তাই শুরুটা দরকার একটু আগ্রাসী মেজাজেই। বৈভব অবশ্য কোনো তত্ত্ব কথায় বিশ্বাসী না। তাঁর কাজ তো একটাই, শুধু মারতে হবে। রানের চাপ, হিসাব-নিকাশ এগুলো দেখার সময় কোথায়।

গুজরাটের বিপক্ষে মাত্র ২.৫ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থেকেছেন। একজন ব্যাটারের সেট হতেই এই সময়টা লাগে, তবে বৈভব তো ভিন্ন ধাতুতে গড়া। পায়ে প্যাড পরার আগেই তিনি মানসিকভাবে সেট হয়ে যান। আর মাঠে নেমেই ঝড় তোলেন।

বৈভব যখন ফিরলেন নিজের সাথে নিয়ে গেলেন ১৬ বলে ৩৬ রান। অবাক করা বিষয় দলের রান তখন ৩৮। এটাই বুঝিয়ে দেয় শুধু প্রতিপক্ষ দল নয়, নিজের সতীর্থ ব্যাটার যশস্বী জয়সওয়ালকেও দর্শক বানিয়ে রেখেছেন। সেই সাথে বুঝিয়ে গেছেন, প্রভাব বিস্তার করতে সময় লাগে না, তিন ওভারই যথেষ্ট বৈভব নামক বিস্ময়ের জন্য।

Share via
Copy link