গিলের ব্যাটে দায়িত্বের নিখুঁত সংজ্ঞা!
এই চাপের বলয়ে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের গ্রাফটা উজ্জ্বল করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে বড় খেলোয়াড়দের বুকের পাটা বড়ই হয়ে থাকে। সেখানে চাপ কেবলই ঠুনকো।
এই চাপের বলয়ে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের গ্রাফটা উজ্জ্বল করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে বড় খেলোয়াড়দের বুকের পাটা বড়ই হয়ে থাকে। সেখানে চাপ কেবলই ঠুনকো।
প্রতিটি ম্যাচ এখন বাঁচা-মরার লড়াইয়ের সমান। পয়েন্ট টেবিলের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকে থাকার হিসেব নিয়েই মাঠে নামতে হচ্ছে প্রতিটি দলকে। ব্যতিক্রম নয় গুজরাট টাইটান্সও। আর এই দলটার দায়িত্বে স্বয়ং শুভমান। চাপটা তাই ভীষণ রকমের বেশি।
এই চাপের বলয়ে দাঁড়িয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের গ্রাফটা উজ্জ্বল করা চাট্টিখানি কথা নয়। তবে বড় খেলোয়াড়দের বুকের পাটা বড়ই হয়ে থাকে। সেখানে চাপ কেবলই ঠুনকো।

রাজস্থানের সাথে জিততে হলে বড় রান স্কোরবোর্ডে জমা করার বিকল্প নেই। এই দায়িত্বটাও নিজের ঘাড়ে নিয়েছিলেন শুভমান। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত অথচ আগ্রাসনে মোড়া ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। নেতার কাজটা নেতার মতোই করেছেন।
সাই সুদর্শনের সাথে ১১৮ রানের ওপেনিং জুটি। ফিফটির পর সুদর্শন ফিরলে নজরটা নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন তিনি। ১৬.২ ওভার পর্যন্ত ক্রিজে থেকেছেন, দলকে ১৮৫ রানের নির্ভরতা দিয়ে তবেই বলেছেন, আমি এবার যাই।
ব্যক্তিগত খাতায় সংখ্যাটা ৪৪ বলে ৮৪ রান। নয় চার আর তিন ছক্কায় সাজানো ইনিংসে স্ট্রাইক রেটটাও ১৯০ এর উপরে। এ যেন নিয়ন্ত্রিত এক ঝড়ের উপাখ্যান লিখে গেছেন শুভমান। আরেকটু বিচক্ষণ কিংবা স্বার্থপর হলে হয়তো সেঞ্চুরি পেয়ে যেতেন। যথেষ্ট সময়ও ছিল। তবে তিনি যে দলনেতা, তাঁর কাছে কেবল দলটাই বড়।

Share via:
স্টাফ রিপোর্টার

শ্রীলঙ্কার ফাইনালের স্বপ্ন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছিল। মাত্র ৩৩ রানে ৪ উইকেট নেই, ড্রেসিংরুমে চাপা উৎকণ্ঠা। ঠিক এমন সময় ক্রিজে জুটি বাঁধেন হারশিথা সামারাবিক্রমা ও কাভিশা দিলহারি। পঞ্চম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি, আর এই জুটিই বদলে দেয় ম্যাচের রং। তাদের হাত ধরেই শেষ পর্যন্ত ফাইনালের টিকিট পায় শ্রীলঙ্কা।

দুবাইয়ে উইমেনস এশিয়া কাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে টান টান উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠল শ্রীলঙ্কা। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তোলে ১৩০ রান। জবাবে শ্রীলঙ্কা লক্ষ্য পার করে ১৮.৫ ওভারে, হাতে রেখে দেয় ৪ উইকেট।

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট অবহেলিত, এরা পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় না, এদের ক্যাম্প হয় না, সুযোগ-সুবিধা নেই, বেতন-ভাতা নিয়েও ওঠে অনেক কথা। এ যুগ হয়েছে বাসি। বছর তিনেক আগে এসব বললে হয়তো পার পাওয়া যেত, তবে বর্তমানের বাস্তবতা সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার পরেও উন্নতি নেই দেশের ক্রিকেটে। নতুন করে ঢালাওভাবে সাজাতে হবে দলটাকে।

জ্যোতি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেটকে অনেক কিছু দিয়েছেন, এটা সত্যি। কিন্তু অধিনায়ক হিসেবে যে কাজটা সবচেয়ে জরুরি, বড় ম্যাচে দলকে জিতিয়ে আনা, চাপের মুহূর্তে নিজে দাঁড়িয়ে পথ দেখানো, সেই জায়গাতেই বারবার আটকে গেছেন তিনি। লড়াই শেখানোর কাজটা তিনি করেছেন। এখন সময় এসেছে সেই লড়াইকে জয়ে রূপান্তর করার মতো কাউকে খোঁজার।
