মধ্যাহ্নভোজে যাওয়ার আগেই পাকিস্তানের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন মিরাজ-তাসকিন আহমেদরা। ২৫১ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে বিরতিতে যায় পাকিস্তান। ফিরে এসে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব কাঁধে নেন সালমান আলী আঘা এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের জুটি থেকে আসে ১১৯ রান।

বাকী গল্পটা মিরাজের। ক্যারিয়ারের ১৪তম ফাইফার তুলে নিয়ে পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডের লাগাম টেনে ধরেন তিনি। ৫৯ রানে রিজওয়ান আর ৫৮ রানে সালমান ফিরলে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বিলীন হয়ে যায় পাকিস্তানের। শেষমেষ থামতে হয় ৩৮৬ রানে।
মিরাজের শিকার পাঁচটা, দুটো করে ভাগাভাগি করে নেন তাসকিন আহমেদ এবং তাইজুল ইসলাম। আর নাহিদের ঝুলিতে একটি উইকেট। বোলারদের দাপটে তাই তো দারুণভাবে ম্যাচে ফিরেছে বাংলাদেশ। অবশ্য ব্যাট হাতেও নামতে হয়েছে দিনের শেষভাগে এসে। সাত রানে দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ, তবে স্বস্তির বিষয় শেষবেলায় কোনো উইকেট পড়েনি। চতুর্থ দিনটা তাই মহাগুরুত্বপূর্ণ দুই দলের জন্যই।
