ব্যাট হাতে ভিত গড়েছেন সাই সুদর্শন, আর সেই ভিতকে আরও মজবুত করেছেন ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ দুই ম্যাচে অপরাজিত ৪০ আর ৩৭ রানের ইনিংস খেলেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সামর্থ্য তাঁর আছে। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের বিপক্ষেও সেই একই দৃশ্যের মঞ্চায়ন ঘটালেন।
যখন ক্রিজে এলেন, দল ৯.৩ ওভারে তিন উইকেটের বিনিময়ে রান করেছে ৬৪। বড় স্কোর করতে পারবে কিনা, এমন শঙ্কা উঁকি দিয়ে উঠছিল গুজরাট শিবিরে। সুদর্শন শান্ত মেজাজে খেলেছেন, তবে একজনকে তো আক্রমণাত্মক মেজাজ না দেখালেই নয়। সুন্দর সেটাকে সুন্দরভাবে বুঝে নিয়ে নিজের কাজ করেছেন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে যখন সাজঘরে ফিরেছেন, দল তখন লড়াইয়ের রসদ পেয়েছে। শেষমেশ তুলেছে ১৬৮ রান।

দলের প্রয়োজনের মুহূর্তে নীরবে এসে ম্যাচের চেহারা বদলে দেওয়াটাই যেন এখন ওয়াশিংটন সুন্দরের নতুন পরিচয়। আলোটা হয়তো সবসময় তাঁর ওপর পড়ে না, কিন্তু ব্যাট হাতে ক্রিজে নামার পর যেভাবে ইনিংসের গতি বদলে দেন, তাতে তাঁকে উপেক্ষা করার উপায়ও নেই।
শেষ দুই ম্যাচেই ব্যাট হাতে দারুণ কার্যকর ছিলেন তিনি। অপরাজিত ৪০ আর ৩৭ রানের ইনিংস খেলে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, মিডল অর্ডারে নেমে দ্রুত রান তোলার কাজটা তিনি বেশ ভালোভাবেই করতে পারেন।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনেক সময় ৭০-৮০ রানের ইনিংসের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ৩০-৪০ রানের ক্যামিও। ওয়াশিংটন সুন্দর ঠিক সেই কাজটাই করেছেন। তাঁর ৩৩ বলে ৫০ রানের ইনিংস হয়তো স্কোরকার্ডে সবচেয়ে বড় সংখ্যা নয়, কিন্তু ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
Share via:










