এমন এক আসনে তিনি বসে আছেন, যেখানে তাঁর নতুন করে কিছু প্রমাণের তাগিদ নেই। কিন্তু, নামটা তো বিরাট কোহলি। ব্যাট হাতে নামলেই ‘বিরাট’ কিছু হতে বাধ্য। রজত পাতিদারকে ছাড়াই খেলতে নেমেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। বিরাট কোহলি জানতেন, তাঁর ব্যাটের দিকেই তাঁকিয়ে থাকবে পুরো ভারতবর্ষ।
বিরাট কোহলি সেই কাজটাই করলেন, যেটা তিনি সবচেয়ে ভাল পারেন। ইনিংস গড়ে দিয়ে গেলেন আরসিবির। প্রায় ১৬০ ছুইছুই স্ট্রাইক রেটে করলেন ৫৮ রান, আরেকটা হাফ সেঞ্চুরি। আরেকবার ব্যাট তুললেন গ্যালারির দিকে। ক্যারিয়ারে কতবার যে এই দৃশ্য তিনি ক্রিকেট বিশ্বকে দেখিয়েছেন সেটা গুণে বের করা শক্ত।

তিনটি ছক্কা আর চারটি চার হাকালেন। আর ১৪ টা রান আসলেই আরও একবার অরেঞ্জ টুপি উঠে যেত বিরাট কোহলির মাথায়। বিরাট সেই আশায় বসে থাকেননি। তিনি খেলে গেছেন দলীয় প্রয়োজন, দলীয় চাহিদা মিটিয়ে। বিশ্বসেরা ব্যাটারের মুকুট যার মাথায় তাঁকে অরেঞ্জ টুপির লোভ পেয়ে বসে না। যুজবেন্দ্র চাহালের বলে ফ্লিক করতে গিয়েছিলেন। ডিপ মিড উইকেটে প্রিয়ানশ আরিয়ারের হাতে ক্যাচ হয়ে ফিরে গেলেন।
দিন দুয়েক আগেই বলেছেন, যদি বারবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয় – তাহলে ২০২৭ বিশ্বকাপে তিনি খেলতেই চান না। এমন একের পর এক ইনিংস যিনি খেলে চলেন অবলীলায়, হাঁটুর বয়সী যুবাদের সাথে যিনি পাল্লা দিয়ে রান করে যান, ভারতের হয়ে সব ফরম্যাটের প্রায় সব ট্রফিই যিনি জিতে ফেলেছে, তাঁর কি আর নতুন করে কিছু প্রমাণের দরকার পড়ে?











