অনন্য এক ধারাবাহিকতার গল্প!

শুভমান গিল, সাই সুদর্শন আর জস বাটলার ত্রয়ী মিলে বছরের পর বছর ধরে লিখে যাচ্ছেন ধারাবাহিকতার এক অনন্য গল্প।

ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে খেলতে নামলে দলগুলো আশা করে টপ-অর্ডারের যেকোনো একজন ব্যাটার জ্বলে উঠবেন। কিন্তু, গুজরাট টাইটান্সের প্রথম তিন ব্যাটারই যেন নিজেকে সেই একজন ভেবে বসে আছেন। শুভমান গিল, সাই সুদর্শন আর জস বাটলার ত্রয়ী মিলে বছরের পর বছর ধরে লিখে যাচ্ছেন ধারাবাহিকতার এক অনন্য গল্প।

গুজরাট টাইটান্স ঘরের মাঠে চেন্নাই সুপার কিংসের আথিতেয়তা করার আগেই কোয়ালিফায়ারে জায়গা করে নিয়েছিল। এই ম্যাচ জিততে পারলে পয়েন্ট টেবিলে সেরা দুইয়ে থাকার সম্ভাবনা থাকতো প্রবল। সেখানেই গুজরাটকে আরও একবার জয়ের দরজার দিকে নিয়ে গেল টপ-অর্ডার।

আহমেদাবাদে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম থেকেই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যেতে থাকেন অধিনায়ক গিল আর তরুণ সাই। সিএসকে নিজেদের বোলিং লাইনআপে একের পর এক পরিবর্তন আনলেও এই দুজন যেন দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন। 

গিল সাত চার আর তিন ছক্কায় ৬৪ রান করে যখন ফেরেন সাজঘরে, ততক্ষণে গুজরাটের স্কোরবোর্ডে জমা হয়ে গেছে ১২৫ রান। তবে, দলনেতা ফিরলেও দল থেমে থাকেনি। বাটলারকে পাশে নিয়ে আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকেন সুদর্শন।

গিলের মতোই ফিফটি তোলার পথে এবারের আসরে ব্যক্তিগত ৬০০ রান জমা করে ফেলেন সুদর্শন। ১৯তম ওভারে ৫৩ বল খেলে যখন আউট হন, নামের পাশে লেখা হয়ে গেছে ৮৪টি রান। 

ইনিংসের বাকি সময়টা সমস্ত মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন বাটলার। আনসুল কাম্বোজদের নিজের উইলো দিয়ে জর্জরিত করে ২১০ এর বেশি স্ট্রাইকরেটে তোলেন ৫৭ রান। গুজরাট ইনিংস শেষ করে ২২৯ রানের বিশাল সংগ্রহ নিয়ে। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

Share via
Copy link