অভিষেক শর্মা, প্রতিপক্ষের দুঃস্বপ্ন!

অভিষেক শর্মার ইনিংসগুলো খুব বেশি দীর্ঘ হয় না। কিন্তু যতক্ষণ তিনি ক্রিজে থাকেন, ততক্ষণ প্রতিপক্ষ বোলারদের নিঃশ্বাস ফেলারও সুযোগ দেন না।

অভিষেক শর্মার ইনিংসগুলো খুব বেশি দীর্ঘ হয় না। কিন্তু যতক্ষণ তিনি ক্রিজে থাকেন, ততক্ষণ প্রতিপক্ষ বোলারদের নিঃশ্বাস ফেলারও সুযোগ দেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে আবারও দেখা গেল সেই চেনা রূপ। মাত্র ২০ বলেই তুলে নিলেন ঝড়ো ফিফটি, আর শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এনে দিলেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হাতে।

প্লে-অফের টিকিট আগেই নিশ্চিত করেছে হায়দ্রাবাদ। তবে লড়াইটা এখন টপ-টু নিশ্চিত করার। আর সেই সমীকরণের ম্যাচেই প্রতিপক্ষ  টেবিলের শীর্ষে থাকা  ব্যাঙ্গালুরু। চাপটা তাই কম ছিল না। কিন্তু অভিষেক শর্মা যেন চাপ নামক শব্দটাই ভুলে গেছেন। তিনি নেমেছিলেন একটাই উদ্দেশ্য নিয়ে, বল দেখো আর গ্যালারিতে পাঠাও।

অভিষেক যখন ছন্দে থাকেন, তখন বোলারদের করার খুব বেশি কিছু থাকে না। পরিকল্পনা বদলায়, ফিল্ড বদলায়, গতি বদলায় কিন্তু ফল একই থাকে। বল সীমানার ওপারে গিয়ে আছড়ে পড়ে। ব্যাঙ্গালুরুর বোলারদের বিপক্ষেও সেটাই হয়েছে। মাত্র ২২ বল খেলে করেছেন ৫৬ রান, স্ট্রাইক রেট ২৫০-এরও বেশি। ইনিংসজুড়ে ছিল চোখ ধাঁধানো সব বাউন্ডারি আর নির্দয় আগ্রাসন।

হায়দ্রাবাদের দরকার ছিল উড়ন্ত শুরু, দরকার ছিল শক্তপোক্ত ভিত গড়ার। আর সেই কাজটাই করে দিলেন অভিষেক। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই ম্যাচের গতি পুরোপুরি ঘুরিয়ে দিলেন নিজের দিকে।

বড় ম্যাচে অভিষেক শর্মা শুধুই ব্যাটার নন, তিনি হয়ে ওঠেন পুরো দলের আক্রমণের প্রতীক।  নিজ দলের আশার নাম তিনি, আর প্রতিপক্ষের জন্য দুঃস্বপ্ন।

Share via
Copy link