বোস্টনে এক গোলের জয়, স্কটল্যান্ডের নতুন শুরু

এটা ছিল দুই দলেরই ফিরে আসার রাত। হাইতি শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৭৪ সালে, স্কটল্যান্ডের অপেক্ষা ছিল ১৯৯৮ সাল থেকে। দুই দল আগে কখনো মুখোমুখি হয়নি, তাই বোস্টনের ম্যাচটাই ছিল প্রথম দেখা।

ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায়। গ্যালারিতে  ৬৪ হাজার ১৪৬ জন দর্শক ছিলেন, স্টেডিয়ামের ঘোষণায় বলা হয়েছিল আসন পূর্ণ। ভেন্যুর ধারণক্ষমতা ৬৬ হাজার ৮২৯, প্রায় ভরে গিয়েছিল মাঠ।

এটা ছিল দুই দলেরই ফিরে আসার রাত। হাইতি শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৭৪ সালে, স্কটল্যান্ডের অপেক্ষা ছিল ১৯৯৮ সাল থেকে। দুই দল আগে কখনো মুখোমুখি হয়নি, তাই বোস্টনের ম্যাচটাই ছিল প্রথম দেখা।

প্রথমার্ধের খেলায় স্কটল্যান্ড বল বেশি রেখেছিল। ২৮ মিনিটে গোলটা আসে জন ম্যাকগিনের পা থেকে। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া শট হাইতির দুই ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক বদলায়, গোলরক্ষক দিশেহারা হয়ে পড়েন, বল জালে জড়ায়। শটটা গোছানো ছিল না, কিন্তু ভাগ্য আজ স্কটল্যান্ডের পক্ষে ছিল।

গোলের পর হাইতি খোলস ছেড়ে বেরোয়। তাদের মাঝমাঠ থেকে কয়েকবার দ্রুত আক্রমণ আসে, কিন্তু শেষ পাসে নিখুঁত হতে পারেনি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ তে।

দ্বিতীয়ার্ধে কোচ স্টিভ ক্লার্ক পাঁচটি বদল করেন। ৮১ মিনিটের দিকে লরেন্স শ্যাঙ্কল্যান্ড আর জন ম্যাকগিনকে তুলে কেনি ম্যাকলিন আর ফিন্ডলে কার্টিসকে নামান। এর আগে লিন্ডন ডাইকস চে অ্যাডামসের জায়গায়, রায়ান ক্রিস্টি বেন গ্যানন-ডোকের জায়গায়, আর হলুদ কার্ড পাওয়া অ্যারন হিকির জায়গায় নাথান প্যাটারসন মাঠে আসেন।

হাইতি শেষ বিশ মিনিটে চাপ বাড়ায়, কর্নার থেকে দুবার সুযোগ তৈরি করে, কিন্তু স্কটল্যান্ডের রক্ষণভাগ মাথা ঠান্ডা রাখে। শেষ বাঁশি বাজলে স্কোরবোর্ডে লেখা থাকে হাইতি ০, স্কটল্যান্ড ১ — তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্কটিশরা।

গ্রুপ সি-তে আগের ম্যাচে ব্রাজিল আর মরক্কো ১-১ ড্র করেছিল। সেই হিসেবে জয় পেয়ে স্কটল্যান্ড এখন গ্রুপের শীর্ষে। হাইতির সামনে পরের ম্যাচে ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড খেলবে মরক্কোর বিপক্ষে। বোস্টনের রাতটা তাই শুধু একটা গোলের নয়, ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরার গল্পের শুরু।

 

Share via
Copy link