বিশ্বকাপের আঙিনায় এখন বায়ার্ন মিউনিখের ফুটবলারদের জয়গান। টুর্নামেন্টের শুরুটা হয়েছে বাভারিয়ানদের জন্য স্বপ্নের মতো। হ্যারি কেন, মাইকেল ওলিস এবং লুইস দিয়াজ। নিজেদের প্রথম ম্যাচেই বায়ার্নের আক্রমণ ভাগের ত্রয়ী প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে তুলে নিয়েছেন ম্যাচ সেরার খেতাব।
ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ গোলের জয়টা পুরোপুরি ছিল হ্যারি কেনের দখলে। পেনাল্টি থেকে গোল করে স্কোরবোর্ডে নাম তোলার পর কেনের হেডটি ছিল দেখার মতো। কেবল গোল নয়, গোল করার সুযোগ তৈরি আর সতীর্থদের সাথে বোঝাপড়ায় কেন ছিলেন এক কথায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাই ম্যাচ শেষে সেরার স্বীকৃতিটা তাঁর হাতেই উঠেছে।
সেনেগালের বিপক্ষে ফ্রান্সের জয়ে কিলিয়ান এমবাপে জোড়া গোল করলেও, আসল জাদুকর ছিলেন মাইকেল ওলিস। গোল করানো থেকে শুরু করে আক্রমণ সাজানো, সবই করেছেন তিনি।

পুরোটা সময় মাঠের নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর পায়ে। ওলিসের ক্লিনিক্যাল পারফরম্যান্সই তাকে ম্যাচ সেরার মর্যাদা এনে দেয়। রিয়াল মাদ্রিদ কেন তাকে পেতে মরিয়া, তার যথার্থ উত্তর যেন এই ম্যাচে দিয়ে রাখলেন এই বায়ার্ন তারকা।
দক্ষিণ আমেরিকান দল কলম্বিয়াও পেয়েছে দুর্দান্ত সূচনা। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দলের গোল উৎসবের নেপথ্যে ছিলেন লুইস দিয়াজ। নিজের প্রথম বিশ্বকাল ম্যাচেই গোল করার পাশাপাশি গোল তৈরিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
শুধু এই ত্রয়ীই নয়, কুরাসাওয়ের বিপক্ষে জার্মানির ৭-১ গোলের বিশাল জয়ে জামাল মুসিয়ালার গোল পাওয়াটা বায়ার্ন ভক্তদের জন্য বড় স্বস্তির। ইনজুরির ধকল কাটিয়ে মুসিয়ালা যেভাবে ছন্দে ফিরেছেন, তাতে ইউরোপিয়ান ফুটবলের আসন্ন মৌসুমে বায়ার্ন যেন ফের অপরাজেয় হয়ে ওঠার বার্তাই দিচ্ছে।












