গ্রুপপর্ব থেকেই বাদ যাওয়ার অবস্থা হয়েছিল বেলজিয়ামের। কিন্তু, সেই দিন দেখতে হলো না। সোনালী যুগের সমাপ্তি হলেও একেবারে ধার কমে যায়নি বেলজিয়ামের। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে নিজেদের আরও একবার চেনালো ইউরোপের এই পরাশক্তি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বিশাল জয়ে টেবিল টপার হয়েই জায়গা নিলো নকআউটে।
নকআউটে যাওয়ার লক্ষ্য মাথায় রেখে মাঠে নামা বেলজিয়াম শুরু থেকেই আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত করে রাখতে থাকে নিউজিল্যান্ডকে। গোলের সুযোগও এসে যায় অল্প সময়েই। ১৯ মিনিটে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের শট হাতে লাগে নিউজিল্যান্ডের ডিফেন্ডারের। রেফারি পেনাল্টি দিলেও সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায় ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির কল্যাণে।
তবে, একটু পরেই নতুন উদ্দীপনায় ম্যাচে ফেরে বেলজিয়াম। ২৮ মিনিটে কর্ণার কিক থেকে পাওয়া বলে পায়ের স্পর্শে গোলের খাতা খুলেন সেই ট্রোসার্ড। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে গোলের সুযোগ তৈরি করলেও বেলজিয়াম আর ব্যবধান বাড়াতে পারেনি।

দ্বিতীয়ার্ধে আবারও বেলজিয়ামের নায়ক হয়ে ওঠেন ট্রোসার্ড। ৫০ মিনিটে বক্সের ভেতর রিবাউন্ড থেকে নেওয়া শটে পরাস্ত হন নিউজিল্যান্ডের গোলরক্ষক। ম্যাচের ফলাফল অনেকটা সেই মুহূর্তেই নির্ধারিত হয়ে যায়।
তবে, বেলজিয়াম সেখানেই থেমে যায়নি। ৬৬ মিনিটে বাঁ পায়ের জোরালো শটে স্কোরলাইন ৩-০তে নিয়ে যান কেভিন ডি ব্রুইনা। ১৮ মিনিট পরে এলিজা জাস্টের গোলে ব্যবধান কমায় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু, মুক্তি একেবারে মেলেনি। বদলি হিসেবে মাঠে নামার দুই মিনিটের মাথায় ৮৬ মিনিটে গোল করে বসেন রোমেলু লুকাকু।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ড আগে নিউজিল্যান্ডের গায়ে শেষ পেরেক ঠুকেন অ্যালেক্সিস সালেমেকার্স। ৫-১ গোলের বড় জয়ে নকআউটে যাওয়ার আনন্দ নিয়েই গ্রুপপর্ব শেষ করলো বেলজিয়াম।











