বাংলাদেশের বোলিংয়ের আগুনে ছারখার ইন্দোনেশিয়া

দুবাইয়ের আকাশে যখন সন্ধ্যার আলো নিভে আসছিল, ঠিক তখনই বাংলাদেশের মেয়েরা প্রমাণ করলেন—কম রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ জেতা যায়, যদি বোলিংয়ে থাকে আগুন আর ফিল্ডিংয়ে থাকে ক্ষিপ্রতা। সোবহানা মোস্তারির শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচের সন্ধ্যায় ইন্দোনেশিয়াকে মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে  বাংলাদেশ জিতল ৭১ রানের বিশাল ব্যবধানে।

দুবাইয়ের আকাশে যখন সন্ধ্যার আলো নিভে আসছিল, ঠিক তখনই বাংলাদেশের মেয়েরা প্রমাণ করলেন—কম রানের পুঁজি নিয়েও ম্যাচ জেতা যায়, যদি বোলিংয়ে থাকে আগুন আর ফিল্ডিংয়ে থাকে ক্ষিপ্রতা। সোবহানা মোস্তারির শততম আন্তর্জাতিক ম্যাচের সন্ধ্যায় ইন্দোনেশিয়াকে মাত্র ৫৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে  বাংলাদেশ জিতল ৭১ রানের বিশাল ব্যবধানে।

ব্যাটিংয়ে গল্পটা শুরু হয়েছিল সোবহানার হাত ধরেই। ইন্দোনেশিয়ার বোলারদের সামনে যখন একের পর এক উইকেট পড়ছিল, তখন তিনি একাই লড়াই চালিয়ে যান, ৪২ বলে গড়েন ৪০ রানের ইনিংস। তার এই ধৈর্যের ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে শেষদিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার—মাত্র ১৮ বলে অপরাজিত ৩১ রান, যেখানে ছিল তিনটি চার আর একটি ছক্কা। এই দুই ইনিংসই বাংলাদেশকে পৌঁছে দেয় ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১২৯ রানে, যা শেষ পর্যন্ত প্রমাণিত হলো যথেষ্টেরও বেশি।

বল হাতে নামার পর বাংলাদেশের বোলাররা যেন প্রতিশোধের নেশায় মেতে উঠলেন। নাহিদা আক্তার হয়ে উঠলেন ধ্বংসের প্রতীক—৪ ওভারে মাত্র ১৫ রান দিয়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট, যার মধ্যে ছিল টানা এলবিডব্লিউর মিছিল।

মারুফা আক্তার শুরুতেই আঘাত হানেন, ৩ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার টপ অর্ডার ভেঙে দেন। শঙ্খচূড়ের মতো নিখুঁত এক স্পেলে সানজিদা আক্তার মেঘলা আর ফাহিমা খাতুনও একটি করে উইকেট তুলে নেন, আর রানআউটের মহড়ায় মাঠে নামা প্রতিটি ফিল্ডারই যেন হয়ে উঠেছিলেন ঘাতক।

ফলাফল যা দাঁড়াল, তা নিষ্ঠুর রকমের একপেশে—ইন্দোনেশিয়ার হয়ে মারিয়া করাজোনের ১২ রান ছাড়া দুই অঙ্কের ঘরে আর কেউ পৌঁছাতেই পারেননি। বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে ১৭.৩ ওভারেই থেমে যায় তাদের ইনিংস।

এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচেই এমন দাপুটে জয়ে বাংলাদেশ বার্তা দিয়ে রাখল প্রতিপক্ষদের। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে কি এই ছন্দ ধরে রাখতে পারবে বাংলাদেশ?

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link