শেফালির ঝড়ে লণ্ডভণ্ড শ্রীলঙ্কা!

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬৪ রানের নক, ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে ৬৮ রান। শেফালি ভার্মা যেমন ধারাবাহিক তেমনই ভয়ঙ্কর। ফাইনালে তুফান ছোটালেন ব্যাট হাতে। যার সামনে অসহায় হতে বাধ্য হলো লঙ্কান বোলিং লাইনআপ।

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬৪ রানের নক, ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে ৬৮ রান। শেফালি ভার্মা যেমন ধারাবাহিক তেমনই ভয়ঙ্কর। ফাইনালে তুফান ছোটালেন ব্যাট হাতে। যার সামনে অসহায় হতে বাধ্য হলো লঙ্কান বোলিং লাইনআপ।

গ্রুপ পর্বে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। সাফল্য বলতে হংকংয়ের বিপক্ষে ২৮ রানটাই ছিল। তবে সেমিফাইনালে পা রাখতেই বদলে গেলেন শেফালি। হুঙ্কার ছাড়লেন ব্যাট হাতে।

বাংলাদেশ দেখল শেফালির নির্মমতা। ৬৪ রানের অনবদ্য নক উপহার দিয়ে ভারতকে টেনে তোলেন ফাইনালে। ওটাই মূলত ট্র্যাকে ফিরিয়ে এনেছে শেফালি। ফিরে পেয়েছেন আত্মবিশ্বাস। যা টেনে আনলেন ফাইনালে মহারণে।

আগে ব্যাট করতে নামে ভারত, শুরুতেই আগ্রাসী হয়ে উঠলেন শেফালি। হার্ড হিটার তকমাটা নিজের সাথে সেটে নিয়েছেন আগেই। সেটার পূর্ণ ব্যবহার দেখা গেল ব্যাটে। রিস্টের দুর্দান্ত ব্যবহার, গ্যাপটাকে কাজে লাগানো, স্পিন-পেস সমানতালে সামলানো, সবই করেছেন সুনিপুণ দক্ষতায়।

আক্রমণাত্মক কতটা ছিলেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে ২৪ বলে ফিফটিটাই যথেষ্ট। শেষমেষ ৩৯ বলে ৬৮ রান এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। স্ট্রাইক রেটটাও ১৭৪। নামের পাশে আছে নয়টা চার আর দুইখানা ছক্কার মার।

শেফালির ঝড়ের সুবাদে ওপেনিং জুটি থেকেই ভারত পায় ১২৯ রানের সংগ্রহ। যেখানে ৬৮ রানই শেফালির। ফাইনাল ম্যাচে এর থেকে ভালো শুরু আর কী-ই বা হতে পারে। যেটা ভারত পেয়েছে শেফালির হাত ধরে। বড় ম্যাচে বড় তারকারাই জ্বলে ওঠে। সেমিফাইনাল আর ফাইনালে ফিফটি হাঁকিয়ে শেফালি সেটারই প্রমাণ রাখলেন যেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link