ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে ঘরের মাঠ জিটেক কমিউনিটি স্টেডিয়ামে চেলসিকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ব্রেন্টফোর্ড। প্রথমার্ধ গোলশূন্য ও সমানে-সমান থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে কৌশলগত পরিবর্তনের মাধ্যমে অল ব্লুজদের সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় করে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নেয় হোম টিম।
প্রথম গোলের ক্ষেত্রে ব্রেন্টফোর্ড তাদের চিরাচরিত শক্তিশালী সেট পিস কৌশল ব্যবহার করে। চেলসির ডিফেন্সিভ লাইন যখন কর্নার সামলাতে ম্যান-টু-ম্যান মার্কিংয়ে ব্যস্ত ছিল, তখন জানিক শুস্টার প্রথম হেডে পাস বাড়ান।
ব্রেন্টফোর্ড পরিকল্পিতভাবেই চেলসির ব্যাকলাইনের পেছনের ফাঁকা জায়গা টার্গেট করে। জেইডন অ্যান্থনির অফ দ্য বল রান এবং খুব কাছ থেকে টপ লেফট কর্নারে হেডার দিয়ে ফিনিশিং প্রমাণ করে কীভাবে একটি ওয়েল ড্রিল্ড সেট পিস রুটিন চেলসির পজিশনাল ডিফেন্সকে ভেঙে দেয়।

পিছিয়ে পড়ার পর চেলসি তাদের আক্রমণাত্মক প্লেয়ার সংখ্যা বাড়ায় এবং হাই লাইন ডিফেন্স বজায় রাখে। এখান থেকেই ব্রেন্টফোর্ড তাদের ট্রানজিশন কৌশলের দ্বিতীয় ধাপ প্রয়োগ করে।
চেলসি বল হারানোর পর তাদের সেন্ট্রাল মিডফিল্ড ডিফেন্সিভ কভার দিতে ব্যর্থ হয়। ইগর থিয়াগোর গোলটিতে দেখা যায় ব্রেন্টফোর্ড ন্যূনতম পাসিং চ্যানেলে ডিফেন্স থেকে সরাসরি চেলসির হাই-লাইন বাইপাস করে বক্সে ঢুকে পড়ে। সেন্টার অব দ্য বক্স থেকে সঠিক পজিশনিংয়ের কারণে থিয়াগো টপ রাইট কর্নারে ক্লিন ফিনিশ করার সুযোগ পান।
ম্যাচের শেষ দিকে ৯৪তম মিনিটে চেলসির ব্যাকলাইন প্যানিক মোডে চলে যায় এবং তাদের ওভার কমিটেড ডিফেন্সের সুযোগ নিয়ে ব্রেন্টফোর্ড উইং ওভারলোড করে। সিক্স ইয়ার্ড বক্সের ডান পাশ থেকে ফাবিও কার্ভালহোর ফিনিশিংটি চেলসির ডিফেন্সিভ শেপ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার চরম রূপ নির্দেশ করে।

চেলসি বলের নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিলেও ফাইনাল থার্ডে সিদ্ধান্তহীনতা এবং সবচেয়ে বড় কথা, বল হারানোর পর ডিফেন্সিভ ট্রানজিশনে মন্থরগতির কারণেই ব্রেন্টফোর্ডের ডাইরেক্ট ও কাউন্টার অ্যাটাকিং ট্যাকটিকসের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে।











