আক্রমণে ঘাটতি ছিল না ইন্টার মিয়ামির, ঘাটতি ছিল ডিফেন্সে। নু স্টেডিয়ামে সান দিয়েগোর বিপক্ষে ২-২ ড্রয়ের ম্যাচে বল আর মাঠ বেশির ভাগ সময় মিয়ামির দখলে ছিল। মেসি গোল করেছেন, সুয়ারেজও গোল পেয়েছেন, কিন্তু একই ভুলে দুবার গোল হজম করে দুটি পয়েন্ট হারাল দলটি।
এই ড্রয়ের পর ইস্টার্ন কনফারেন্সের শীর্ষে থাকা নাশভিলের চেয়ে ১১ পয়েন্ট পিছিয়ে মিয়ামি, হাতে আছে আট ম্যাচ। ২৬ ম্যাচে তাদের জয় ১২টি, ড্র ১০টি আর শেষ নয় ম্যাচে জয় মাত্র একটি।
মাঝমাঠে ডি পল, ইয়ানিক ব্রাইট আর মাতিয়াস গালার্সাকে রেখে সামনে মেসি, জার্মান বেরতেরামে ও সুয়ারেজকে নামায় মিয়ামি। ব্রাইটের জন্য রাতটা ছিল বিশেষ কিছু, ক্লাবের হয়ে এটি ছিল তাঁর ১০০তম ম্যাচ। কিন্তু ১২ মিনিটেই ইয়েপ তভেরস্কভের থ্রু বল ধরে অ্যান্ডার্স ড্রেয়ার চিপে পরাস্ত করেন গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে। এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মিয়ামি, ২৪ মিনিটে বক্সের কিনারা থেকে মেসির বাঁকানো ফ্রি কিক ভিড় ঠেলে জালে জড়ায়। ক্যারিয়ারের ৯৩০তম গোল এটি, মিয়ামির হয়ে ১০১তম। মৌসুমে তাঁর গোল এখন ২০টি, গোল্ডেন বুটের দৌড়েও তিনি সবার ওপরে।

তবে গোলটি এসেছে সেট পিস থেকে। ওপেন প্লে তে মেসি, সুয়ারেজ আর ডি পল, তিনজনই ভালো সুযোগ পেয়েছেন, কেউ কাজে লাগাতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো সময় চাপ ধরে রেখে ৭৪ মিনিটে ফল পায় মিয়ামি। ডি পলের পাস থেকে ৩৯ বছর বয়সী সুয়ারেজ প্রথম ছোঁয়ায় জাল কাঁপান। মৌসুমে এটি তাঁর ১৩তম গোল, ডি পলের ১২তম অ্যাসিস্ট।
২-১ এগিয়ে থেকেও ম্যাচ শেষ করতে পারেনি মিয়ামি। ৮২ মিনিটে তভেরস্কভ এবার ওভার দ্য টপ পাস বাড়ান, ড্রেয়ার আবারও ঠান্ডা মাথায় ফিনিশ করেন। দুটি গোলের ধরন প্রায় এক, একই জুটি, একই ধরনের পাস, একই ফল। প্রথম গোলের পর প্রায় সত্তর মিনিট হাতে পেয়েও মিয়ামি এর সমাধান বের করতে পারেনি। যোগ করা সময়ে কাউন্টারে কিরান সার্জেন্টের শট সেন্ট ক্লেয়ার না ঠেকালে হারও দেখতে হতে পারত।
মেসির গোল আছে, সুয়ারেজ আর ডি পলের যোগানও আছে। কিন্তু ডিফেন্স এভাবে খোলা থাকলে সেই গোল পয়েন্টে বদলাবে না।












