১৪ তম ইনিংসেই ব্রিজকি তুলে নিলেন ২য় সেঞ্চুরি!

ঝড়ের মুখে প্রদীপ নিভে যায়, এটাই নিয়ম। ডারবানে সেই নিয়ম মানলেন না ম্যাথিউ ব্রিজকি। ২৯ রানে দুই ওপেনার ফিরে গেছেন, ১৬৬ রানে পাঁচ উইকেট শেষ। তখন মনে হচ্ছিল, এই ভাঙনের পর বড় স্কোর আর হবে না। কিন্তু এক প্রান্তে শান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্রিজকি। সেখান থেকেই তুলে নিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

ঝড়ের মুখে প্রদীপ নিভে যায়, এটাই নিয়ম। ডারবানে সেই নিয়ম মানলেন না ম্যাথিউ ব্রিজকি। ২৯ রানে দুই ওপেনার ফিরে গেছেন, ১৬৬ রানে পাঁচ উইকেট শেষ। তখন মনে হচ্ছিল, এই ভাঙনের পর বড় স্কোর আর হবে না। কিন্তু এক প্রান্তে শান্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন ব্রিজকি। সেখান থেকেই তুলে নিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি।

কিংসমিডে টস জিতে আগে বোলিং নেয় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারেই প্রথম উইকেট হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা, সপ্তম ওভারে দ্বিতীয়। ব্রিজকি নামলেন চারে। এরপর একে একে উইকেট পড়তে থাকল, কিন্তু ব্যাট হাতে অবিচল দাঁড়িয়ে ব্রিজকি। ২৫.২ ওভারে বাউন্ডারি মেরে করলেন ফিফটি। তারপর মার্কো ইয়ানসেনকে সঙ্গী করে ষষ্ঠ উইকেটে ৮১ বলে ১০৬ রানের জুটি।

৪৪.৫ ওভারে কভার দিয়ে ঠেলে একটা রান নিলেন  ব্যস, ১০০ বলে শতক পূর্ণ। হেলমেট খুলে দুই হাত আকাশে তুলে যখন  চিৎকার করে উঠলেন ব্রিজকি তখন  ইয়ানসেন ছুটে এসে জড়িয়ে ধরলেন।

৪৭ তম  ওভারে রান আউট হয়ে ফিরলেন ১১২ রানে নিয়ে । ১০৬ বলের ইনিংসে ১৪টি চার আর ২টি ছক্কা। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৬ উইকেটে ২৭৫। ব্রিজকি ফিরলেও থেমে গেল না ইনিংস, বাকি লড়াইটা চালিয়ে গেলেন ইয়ানসেন। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৯৮ রানের লক্ষ্য দাঁড় করাল দক্ষিণ আফ্রিকা।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় সিরিজে লাহোরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকেই করেছিলেন ১৫০, ওয়ানডে অভিষেকে যা সর্বোচ্চ। দুই দিন পর করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮৩। আগস্টে অস্ট্রেলিয়া সফরে ৫৭ আর ৮৮। এরপর লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৮৫। প্রথম পাঁচ ইনিংসের প্রতিটিতে ৫০ পার, ক্রিকেটে ইতিহাসে এমন শুরু বিরল। ভারত সফরে তিন ম্যাচে করেছেন ১৬৪ রান, যা দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ। এবার নিজেদের মাঠে সেঞ্চুরি। ১৪ ইনিংসে ৮০০-র বেশি রান, দুটি সেঞ্চুরি, ছয়টি ফিফটি।

ডারবানে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার তৃতীয় ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করলেন তিনি। আগের দুটি এসেছিল ২০০৬ ও ২০১৬ সালে। গত বছর ৮৮ রানে থামতে হয়েছিল। এবার থামলেন না।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link