খুদে বয়সেই প্রতিভার চমক

গেমিংয়ের বাইরেও ইউকির চোখে আরও একটি স্বপ্ন। বড় হয়ে সে হতে চায় ট্রেনচালক। যদিও, ক্ষুদে বয়সেই গেমিংয়ের এই সাফল্য তাঁকে ক্যারিয়ার নিয়ে নিশ্চয়ই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।

ছোট শরীরে বড় মেধার উজ্জ্বল স্বাক্ষর। অল্প বয়সে এমন বড় সাফল্য ইউকি কুরিহারার গল্পকে আলাদা করে তুলেছে ।

বয়স মাত্র ১১ বছর। অথচ প্রতিপক্ষের সামনে বসে তার খেলা দেখে মনে হতে পারে, যেন বহু বছরের অভিজ্ঞ কোনো পেশাদার গেমার। খুদে এই অ্যাথলেট জাপানের ঘরোয়া জাতীয় ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় ২৪ ও ২৮ বছর বয়সী বড়দের হারিয়ে সোনা জিতে রেকর্ড করেছেন। ইউকির সবচেয়ে বড় শক্তি তার অসাধারণ গেম সেন্স। যেটা অর্জন করা একজন প্রাপ্তবয়স্ক অভিজ্ঞ বিশ্বমানের খেলোয়াড়ের জন্যও বেশ কঠিন।

কুরিহারা পুয়ো পুয়ো চ্যাম্পিয়নসের ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাং দংশিনকে দশ- দু্ই ব্যাবধানে হারিয়ে সোনা নিশ্চিত করে। এর আগেও সেমিফাইনালে থাইল্যান্ডের তানারাকা ওংকিতকুনকে ১০-১ ব্যাবধানে পরাজিত করেন খুদে অ্যাথলেট।

খুদে অ্যাথলেট কুরিহারা সোনা জয়ের পরও শান্ত ছিলেন বেশ। ১১ বছর বয়সী খুদে অ্যাথলেট- লজ্জা পাওয়ার কারণে ঠিকমতো উদ্‌যাপন করতে পারেনি। কিন্তু, চকচকে ও ভারী সোনার পদক এবং সোনালি প্লাশ খেলনা পেয়ে তার মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের ঝিলিক। যতই পেশাদার হন না কেন, মনের শিশুটা এখনও তাঁর জীবিত।

সাধারণত পুয়ো পুয়ো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির পাজল গেম, এখানে প্রতিপক্ষের চাল বুঝে রিয়েল-টাইমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াই সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি। মাত্র ৬ বছর বয়সেই এই খেলায় হাতেখড়ি ইউকির।

বর্তমানে জাপানের বিখ্যাত পেশাদার স্পোর্টস ক্লাব টোকিও ভার্ডি এর ই-স্পোর্টস দলের সাথে চুক্তিবদ্ধ খুদে অ্যাথলেট। বর্তমানে তিনি জাপানের ই-স্পোর্টস ইতিহাসে প্রো-লাইসেন্স পাওয়া সবচেয়ে কম বয়সী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। 

তবে গেমিংয়ের বাইরেও ইউকির চোখে আরও একটি স্বপ্ন। বড় হয়ে সে হতে চায় ট্রেনচালক। যদিও, ক্ষুদে বয়সেই গেমিংয়ের এই সাফল্য তাঁকে ক্যারিয়ার নিয়ে নিশ্চয়ই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে

Share via
Copy link