পাকিস্তান আরও একবার পর্যুদস্ত হলো ভারতের সামনে। আরও এক বড় ইভেন্টে ভারত টেক্কা দিল। দুই দলের দ্বৈরথ যে একপেশে, সেটাও প্রমাণ দিল শ্রেয়াস আইয়ারের দল। এশিয়ান গেমসের ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে জিতে নিল কাঙ্ক্ষিত সোনা। পাকিস্তানের জন্য পড়ে রইল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর কাছে আরও একবার পরাজয় বরণের লজ্জা।
ফাইনাল মহারণে টস কয়েনটা অবশ্য ভারতের পক্ষেই যায়। শ্রেয়াস আইয়ার বেছে নেন ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত। এরপর ঝড় ওঠে, বৈভব সুরিয়াভানশির ক্যামিও শেষ হলে অভিষেক শর্মার ব্যাটে দেখা মেলে চার-ছক্কার ফোয়ারা।
২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলে শুরুতেই ম্যাচের লাগাম হাতে নিয়ে নেয় ভারত। তবে মাঝের ওভারে অবশ্য পাকিস্তান ফিরে আসে। শ্রেয়াস আইয়ার ব্যর্থ হয়েছেন, ইশান কিষাণের ব্যাটও হাসেনি। সব মিলিয়ে ২০০ পেরোনো তখন ভীষণ দায়। এরপরই জ্বলে ওঠেন তিলক ভার্মা। ২২ বলে ৫১ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে বদলে দেন সব হিসাব-নিকাশ। শেষ তিন ওভারে ভারত তোলে ৫৭ রান। স্কোরবোর্ডে ২১১।

পাহাড়সম রান তাড়া করতে হলে ভালো সূচনা দরকার। পাকিস্তান সেটা পেয়েও যায়। প্রথম দুই ওভারেই আসে ২১ রান। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৩৩ রান। এরপরই ছন্দপতন। পরের ছয় রান তুলতে ফিরে যান আরও দুই ব্যাটার। ম্যাচ হাতছাড়া হওয়ার পথে। তখনই ত্রাতা হয়ে আসেন হাসান নওয়াজ।
একপ্রান্তে জিইয়ে রাখেন পাকিস্তানের শেষ আশা। সময়ের দাবি মেনে চালাতে থাকেন ব্যাট। শেষ পর্যন্ত তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫১ বলে ৯৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। যদিও শেষটায় সেটা কেবলই ব্যবধানই কমিয়েছে। পাকিস্তানকে হারতে হয়েছে ১৯ রানের ব্যবধানে।
আরও একটা ইভেন্টে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারাল ভারত। এশিয়ান গেমসের চ্যাম্পিয়ন হয়ে লুফে নিল সোনার পদক। আর পাকিস্তান রানার্সআপ, ভাগ্যে জুটল রুপার পদক। তবে সব ছাপিয়ে আরও একবার পরিষ্কার হয়ে গেল, ভারত যে উচ্চতায় চলে গেছে, পাকিস্তানের পক্ষে সেটা ছোঁয়া আর সম্ভব না, ভারতকে হারানো এখন দিবাস্বপ্নের মতোই।











