ওয়ানডেতে যেখানে থেমেছিলেন, টি-টোয়েন্টিতে ঠিক সেখান থেকেই শুরু করলেন হোপ, যেন মাঝখানে কোনো বিরতিই ছিল না। প্রথম ওভারে আর্শদীপের সুইংয়ে কয়েকটা বল দেখে খেলতে হলো , কিন্তু চতুর্থ বলেই মিড-অফের ওপর দিয়ে চার, পরের ওভারে মায়াঙ্ক যাদবের অবস্থা আরও করুণ এক ওভারেই একে একে চারটা চার মারলেন। স্লোয়ার কিংবা ১৪৭ কিমি গতির বল, হোপের কাছে সব সমান।
অন্য প্রান্তে তখন যেন আসা যাওয়া চলছেই। অভিষেকে পুরান ১২ রানে বোল্ড, হেটমায়ার ব্যাট শূন্যে তুলে ডাইভ দিয়েও রান আউট, আর পাওয়েল শূন্য রানে স্টাম্প খুইয়ে ফিরলেন। একজন আসেন, একজন যান, আর হোপ একা সব দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দাঁড়িয়ে।
ভাগ্যও আজ তাঁর পাশে ছিল, ৮.২ ওভারে ৩৩ রানে থাকতে বল গিয়ে লাগল স্টাম্পে, অথচ বেল পড়ল না। এমন জীবন পেলে অনেকে সাবধান হয়ে যায়। হোপ উল্টে আরও খুলে খেললেন। রাদারফোর্ডকে সঙ্গে পেয়ে গড়লেন ৬৩ রানের জুটি, আর নামান ধীরকে লং-অনের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৬ বলে ছুঁয়ে ফেললেন পঞ্চাশ।

কিন্তু ক্রিকেট সবসময়ই অনিশ্চয়তার খেলা ফিফটির পরের বলেই পুল করতে গিয়ে ধরা পড়লেন ডিপ মিডউইকেটে, অক্ষর প্যাটেলের হাতে। ৩৭ বলে ৫২, ছয় চার আর দুই ছক্কায়। নামান ধীর পেয়ে গেলেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম উইকেট, আর হোপ হাসিমুখেই হয়তো ভাবছিলেন, আরেকটা বল পেলে কী হতো।
তিনি যখন ফিরলেন, স্কোরবোর্ডে ১১০। ভিত তৈরি করে দিয়ে গেলেন, এবার মাঝের সারির পালা, সেই ভিতের ওপর একটা ভালো লক্ষ্য দাঁড় করানোর।










