৩৯ বছর বয়সেও কী দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতা!

কী দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতা! যেন টগবগে কোনো তরুণ বল পেয়েই হাওয়ায় ভেসে ছুড়ে মারলেন স্টাম্পের দিকে, আর ব্যাটার কিছু বুঝে ওঠার আগেই ফিরতে হলো রান আউট হয়ে। অথচ থ্রোটা যাঁর, সেই মানুষটার বয়স ৩৯ পেরিয়ে গেছে। নাম রোহিত শর্মা।

কী দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতা! যেন টগবগে কোনো তরুণ বল পেয়েই হাওয়ায় ভেসে ছুড়ে মারলেন স্টাম্পের দিকে, আর ব্যাটার কিছু বুঝে ওঠার আগেই ফিরতে হলো রান আউট হয়ে। অথচ থ্রোটা যাঁর, সেই মানুষটার বয়স ৩৯ পেরিয়ে গেছে। নাম রোহিত শর্মা।

২১তম ওভারে অক্ষর প্যাটেলের ফুল লেংথ বল গ্লেন ফিলিপস লেগ সাইডে ঠেলে সিঙ্গেলের জন্য ছুটলেন। ডারেল মিচেলও সাড়া দিলেন, কিন্তু দুজনের মধ্যে শুরু হয়ে গেল হ্যাঁ-না আর বলের দিকে তাকিয়ে থাকার দ্বিধা। মিড-উইকেট থেকে ততক্ষণে ছোঁ মেরে বল তুলে নিয়েছেন রোহিত। আন্ডারআর্ম থ্রো সোজা কেএল রাহুলের গ্লাভসে, আর এক ঝটকায় উড়ে গেল বেল। মিচেল তখনো ক্রিজের বাইরে। ফিরলেন ৪১ বলে ২৮ রান করে।

এই উইকেটের মূল্য ভারতের কাছে অনেক বেশি। গত সাত ইনিংসে ভারতের বিপক্ষে মিচেলের চারটি সেঞ্চুরি আর দুটি হাফসেঞ্চুরি। ভারতীয় বোলারদের কাছে তিনি তাই ছিলেন মূর্তিমান আতঙ্ক। সেই আতঙ্কের ইতি টানলেন রোহিত, ব্যাট হাতে নয়, শুধু ফিল্ডিংয়ের জাদুতে।

উইকেটের পর মিচেলের চোখেমুখে যে দুশ্চিন্তা ফুটে উঠল, সেটা অমূলক ছিল না। নিউজিল্যান্ড পড়ে গেল বড় বিপাকে, আর গ্যালারির গর্জনই বলে দিচ্ছিল, ম্যাচের এই মোড়টা ভারতের কতটা দরকার ছিল। থ্রো শেষে রোহিত নিজের ডান কাঁধটা ঝাঁকিয়ে নিলেন, যেন কিছুই হয়নি। ব্যাটিং হোক বা ফিল্ডিং, তাঁর বয়স যেন আটকে আছে সেই এক জায়গাতেই।

Share via
Copy link