কোহলির সেই চিরচেনা রূপ

বয়স বাড়ে, কিন্তু বিরাট কোহলির ক্ষুধা কমে না। কমে না তাঁর ইমপ্যাক্টও। স্লিপে তাঁর একটা ডাইভিং ক্যাচ বলে দিল, মাঠে কোহলি থাকা মানে চোখ রাখতে হবে সবখানেই।

বয়স বাড়ে, কিন্তু বিরাট কোহলির ক্ষুধা কমে না। কমে না তাঁর ইমপ্যাক্টও। স্লিপে তাঁর একটা ডাইভিং ক্যাচ বলে দিল, মাঠে কোহলি থাকা মানে চোখ রাখতে হবে সবখানেই।

২৮তম ওভারে আনশুল কম্বোজের ফুল লেংথ বলটা যেন ড্রাইভ করার আমন্ত্রণ নিয়েই এসেছিল। নাথান স্মিথ ফাঁদে পা দিলেন, জোরে খেলতে গিয়ে বলে লাগালেন পিউর এজ। বল ছুটল দ্বিতীয় স্লিপের ডান দিকে, মাটির কোল ঘেঁষে। অন্য কেউ হলে হয়তো তাকিয়ে থাকতেন। কোহলি ঝাঁপ দিলেন ঠিক সময়ে, এক হাতে তুলে নিলেন মাটি থেকে কয়েক ইঞ্চি ওপরে।

ক্যাচটা নিয়েই তিনি দৌড় দিলেন, যেন বলতে চান, পারলে থামাও। বলটা আম্পায়ারের দিকে ছুড়ে দিয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ক্যাচ একদম পরিষ্কার। তবু আম্পায়ার গেলেন থার্ড আম্পায়ারের কাছে। রিপ্লেতে দেখা গেল, আঙুল বলের নিচেই ছিল ফলাফল আউট। এরপর কোহলির উদযাপনটা ছিল দেখার মতো। কখনো তীর-ধনুকের ভঙ্গি, কখনো জিব বের করা হাসি, আর ডাগআউটের কারও দিকে তাকিয়ে ইশারা, যেন বলছেন, বলেছিলাম না, এখনো আমি আছি।

স্মিথ ফিরলেন ৯ বলে ১ রান করে। ম্যাচের মোড় তো এমন হাফ চান্সগুলোই ঘুরিয়ে দেয়। যে দল সেগুলো কুড়িয়ে নিতে পারে, ম্যাচ তার হাতে চলে আসে। বিরাটরা ঠিক এই কাজটাই করে এসেছেন, এখনও করেন।

Share via
Copy link